Purulia

সরকারি জমি দখল করে তৃণমূলের অফিস! বুলডোজারের ভয়ে দেওয়াল থেকে ‘ভ্যানিশ’ মমতার ছবি

বুলডোজার অপারেশনের ভয়! তার জেরে আইএনটিটিইউসি অফিসের দেওয়াল থেকে মুছে দেওয়া হল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি! শুধু তাই নয়, আইএনটিটিইউসি লেখা-সহ দলের প্রতীক ঘাসের উপর জোড়া ফুলের ছবিও উধাও।

Advertisement
সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৬, ১৯:৫০

options
link
সরকারি জমি দখল করে তৃণমূলের অফিস! বুলডোজারের ভয়ে দেওয়াল থেকে ‘ভ্যানিশ’ মমতার ছবি
বুলডোজারের ভয়ে দেওয়াল থেকে 'ভ্যানিশ' মমতার ছবি। নিজস্ব চিত্র

বুলডোজার অপারেশনের ভয়! তার জেরে আইএনটিটিইউসি অফিসের দেওয়াল থেকে মুছে দেওয়া হল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি! শুধু তাই নয়, আইএনটিটিইউসি লেখা-সহ দলের প্রতীক ঘাসের উপর জোড়া ফুলের ছবিও উধাও। এমনই ঘটনা ঘটেছে পুরুলিয়ায় (Purulia)। পুরুলিয়া শহরের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পাশে থাকা তৃণমূল ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস অনুমোদিত পুরুলিয়া জেলা ম্যাক্সি ট্যাক্সি ওয়ার্কার ইউনিয়ন কার্যালয় রয়েছে। সেখানেই ঘটেছে এমন ঘটনা।

Advertisement

এভাবে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আইএনটিটিইউসি লেখা-সহ দলের প্রতীক ঘাসের উপর জোড়া ফুলের ছবি সরে যাওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এতকাল ওই অফিসের বাইরের দেওয়ালেই এই ছবি-লেখা থাকত। রাতারাতি সেসব ভ্যানিশ। এখন সেখানে লেখা রয়েছে, পুরুলিয়া জেলা ম্যাক্সি ট্যাক্সি ড্রাইভার ইউনিয়ন অফিস। কিন্তু কেন বুলডোজারের ভয়? তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের কার্যালয় বলেই কি সেটির উপর বুলডোজার চলবে? কিন্তু ঘটনা অন্য জায়গায়। অভিযোগ, এই কার্যালয়টি সরকারি জমিতে রয়েছে। শহরের ওই সরকারি জমি দখল করেই ওই কার্যালয় তৈরি হয়েছিল।

Advertisement
TMC office on government land! Mamata Banerjee's picture vanishes due to bulldozer fear in purulia
মমতা ও তৃণমূলের প্রতীক মুছে ফেলা হয়েছে দেওয়াল থেকে। নিজস্ব চিত্র

জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই ওই এলাকায় বেআইনিভাবে জমি দখলের অভিযোগে বুলডোজার চলেছিল। সেসময় অভিযান চললেও এই কার্যালয়টির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। ফলে প্রশ্ন তোলেন উচ্ছেদ হয়ে যাওয়া ব্যবসায়ীরা। পুরুলিয়া জেলা বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, সরকারি জায়গা দখল করে কেউ থাকতে পারবে না। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হবে। ওই কার্যালয়ে আসা-যাওয়া করা এবং বসা পুরুলিয়া জেলা ম্যাক্সি ট্যাক্সি ইউনিয়নের সভাপতি শেখ জুবের আলি বলেন, “গত ২০ বছর ধরে কার্যালয় চলছে। রেজিস্ট্রেশনও রয়েছে। এরপরে প্রশাসন যা পদক্ষেপ নেবে মেনে নেব।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.