দিঘায় পর্যটকের রহস্যমৃত্যু, বাথরুমে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ

মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী, প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০১৮, ০৭:২৮

options
link
দিঘায় পর্যটকের রহস্যমৃত্যু, বাথরুমে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ

রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আনন্দ করতে দিঘায় বেড়াতে এসেছিলেন। কিন্তু বাড়ি ফেরা আর হল না। হোটেলের মধ্যে এক পর্যটকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে সৈকত শহরে রহস্য দানা বেঁধেছে।

Advertisement

[দৌলতাবাদ থেকে শিক্ষা, চালকের হাতে মোবাইল ধরিয়ে দেবে সিসিটিভি]

Advertisement

সোমবার রাতে নিউ দিঘার একটি হোটেলের বাথরুম থেকে ওই পর্যটকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতের নাম দিলীপ সরকার (২৮)। বাড়ি নদিয়া জেলার কোতোয়ালি থানা এলাকার সুভাষনগরে। সোমবার সকালে ৫৫ জনের একটি দল দিঘায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেদিন দু-তিন জন বন্ধুর সঙ্গে একটি ঘরে ছিলেন দিলীপ। তাঁর বন্ধুরা বাইরে যাওয়ার কথা বললেও শরীর খারাপের কথা বলে ওই যুবক হোটেলে থেকে যান। রাত আটটা নাগাদ বন্ধুরা ফিরে এসে দেখেন ঘরে নেই দিলীপ। তবে বাথরুমের দরজা ভিতর থেকে লাগানো।  হোটেলকর্মীদের ডাকা হয়। তাঁরা দরজা ভাঙতেই চমকে যান। দেখা যায় শৌচাগারের মধ্যে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছেন ওই যুবক। তড়িঘড়ি তাঁকে নামানো হয়। পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে শাওয়ারের পাইপের সঙ্গে গামছা বেঁধে আত্মহননের পথ বেছে নেয় দিলীপ। ওই যুবকের আত্মীয়রা এদিন দিঘায় যান।

Advertisement

[সুন্দরবনের পাশে প্রশাসন, ‘বিধবা গ্রাম’ দত্তক নিচ্ছে পঞ্চায়েত]

মৃতের পরিজনার জানিয়েছেন কয়েক দিন ধরে দিলীপ মানসিক অবসাদে ভুগছিল। বন্ধুদের  সঙ্গে বাইরে কোথাও বেড়াতে গেলে মন ভাল থাকবে। এই আশায় তারা ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন।  বেড়াতে এসে এমন কাণ্ড যে সে ঘটিয়ে দিতে পারে তা আঁচ করতে পারেনি দিলীপের পরিবার। তবে এই ঘটনায় দিলীপের বন্ধুদের কোনও দোষ দেখেনি তারা।  মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর দিঘা থানার ওসি বাসুকিনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মানসিক অবসাদে ওই যুবক আত্মহত্যা করে। এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, কয়েক দিন আগে দিঘার একটি হোটেলে এক পর্যটকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। পরপর এমন ঘটনায় হোটেলগুলির নজরদারি প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.