CM Suvendu Adhikari

‘না চাইলেও অভিষেককে সেনাপতির সম্মান দিয়েছি’, শুভেন্দুর প্রশংসা করে বিজেপি যোগের ইচ্ছাপ্রকাশ সৌমেনের

দীর্ঘ চার বারের বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্র। এমনকী মমতা জমানায় গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সামলেছেন তিনি।

Advertisement
রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ১৬:০৮

options
link
‘না চাইলেও অভিষেককে সেনাপতির সম্মান দিয়েছি’, শুভেন্দুর প্রশংসা করে বিজেপি যোগের ইচ্ছাপ্রকাশ সৌমেনের
এবার মুখ খুললেন সৌমেন মহাপাত্র।

রাজ্যে পালাবদলের পরেই তৃণমূলে শুরু হয়েছে ‘গৃহদাহ’। একেবারে খান-খান হয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের সংসার। শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোপ দেগে একের পর এক নেতা মুখ খুলতে শুরু করেছেন। সেই তালিকায় নয়া সংযোজন তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী ড. সৌমেন মহাপাত্র। তাঁর মন্তব্য, তৃণমূলের ভাঙন অবশ্যম্ভাবী। দলটা কর্পোরেট কালচারে চলছিল। শুধু মুখ খোলাই নয়, একেবারে সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ তাঁর। তবে সবটাই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সবুজ সঙ্কেতের উপরেই নির্ভর করছে বলেও জানিয়েছেন বর্ষীয়ান এই তৃণমূল নেতা।

Advertisement

তালিকায় নয়া সংযোজন তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী ড. সৌমেন মহাপাত্র। তাঁর মন্তব্য, তৃণমূলের ভাঙন অবশ্যম্ভাবী। দলটা কর্পোরেট কালচারে চলছিল। শুধু মুখ খোলাই নয়, একেবারে সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ তাঁর।

পাঁশকুড়ায় তাঁর বাড়িতেই প্রাক্তন মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেখানেই তিনি জানান, তৃণমূলের ভাঙন অবশ্যম্ভাবী। দলটা কর্পোরেট কালচারে চলছিল। মন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেকের সঙ্গে দেখা করা যেত না। সমস্যার কথা তুলে ধরতে পারতেন না। দল থেকে কাজ করিয়ে নিয়ে হঠাৎ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া কালচারে পরিণত হয়েছিল। না চাইলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেনাপতির সম্মান দিতে হত বলেও বিস্ফোরক দাবি সৌমেনবাবুর। তাঁর কথায়, পরিস্থিতি এমন ছিল যে, শুভেন্দু অধিকারী বাধ্য হয়ে দল ছেড়েছিলেন। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী অধিকারীর কাজের প্রশংসা করে সৌমেনবাবু বলেন, কার্যক্ষেত্রে শুভেন্দু অধিকারী অজয় মুখোপাধ্যায়ের পর মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলায় বিপ্লব এনেছেন। এরপরেই বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করে তৃণমূল নেতা বলেন, যদি বিজেপি চায়, তাহলে সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করতে রাজি আছি। তবে সবটাই নির্ভর করছে শমীক ভট্টাচার্য এবং শুভেন্দু অধিকারীর উপর।

Advertisement

দীর্ঘ চার বারের বিধায়ক ছিলেন সৌমেন মহাপাত্র। এমনকী মমতা জমানায় গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সামলেছেন তিনি। কিন্তু একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলের থেকে সৌমেন মহাপাত্রের দূরত্ব তৈরি হয়। বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে তা আরও চওড়া হয়। শোনা যায়, তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কু-কথা বলতে পারবেন না, এমন বক্তব্যের পরই তৃণমূল সৌমেনবাবুকে কোণঠাসা করে বলে আগেই অভিযোগ উঠেছিল। এরপরেই শারীরিক অসুস্থতার অছিলায় বাড়িতেই বসে যান! শেষ ৩ বছর তৃণমূল দলের প্রাক্তন মন্ত্রীকে গুরুত্বই দেয়নি। প্রথমে মন্ত্রিত্ব থেকে, তারপর জেলা সভাপতির পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বিধানসভা ভোটে প্রবল গেরুয়া ঝড়ে জেলাজুড়ে ঘাসফুল আছড়ে পড়ে। এরপরেই এদিন মুখ খোলেন সৌমেন মহাপাত্র।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.