বাংলার দুই জায়গায় দেখা মিলল ড্রোনের। বিমানের আদলে দেখতে ওই দুই ড্রোন নিয়ে দেখা দিয়েছে চাঞ্চল্য। একটি ড্রোন মিলেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বকখালির ফ্রেজারগঞ্জের সমুদ্রতটে। আর একটি ড্রোন মিলল পশ্চিম মেদিনীপুরের ধানজমিতে। কোথা থেকে ওই দুটি এল? সেই বিষয়ে শুরু হয়েছে চাঞ্চল্য। বাংলায় ভোটের বাদ্যি বেজে গিয়েছে। প্রচারও শুরু হয়েছে। তাহলে ড্রোনের মাধ্যমে গোপনে নজরদারি পরিকল্পনা? সেই প্রশ্ন উঠেছে। ড্রোন দুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
আজ, বুধবার দুপুরে পশ্চিম অমরাবতী গ্রামের কার্গিল সি বিচে একটি ড্রোন পড়ে থাকতে দেখা যায়। লাল-হলুদ রঙের বিমানের আদলে ওই ড্রোনটিকে পড়ে থাকতে দেখেন মৎস্যজীবীরা। খবর নিমেষে ছড়িয়ে যায় এলাকায়। সাধারণ মানুষজন সেখানে ভিড় করেন। ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছয়। ড্রোনটির কিছু অংশ ভেঙে গিয়েছে বলে খবর।
জানা গিয়েছে, ড্রোনের ডানায় লেখা রয়েছে শিকরা ড্রোন। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ওই ধরনের ড্রোন ভারতীয় নৌবাহিনী, বায়ুসেনার মহড়ায় ব্যবহার করা হয়। প্রতিরক্ষা প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হয়। পাহাড়, সমুদ্রের একাধিক জায়গায় অপারেশনের ক্ষেত্রেও এই ড্রোন ব্যবহার করা হয়। তাহলে কি কোনও অপারেশন করার ক্ষেত্রে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তটে মুখ থুবড়ে পড়ে? বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে। সাগরের এসডিপিও সুমন কান্তি ঘোষ জানান, ড্রোনটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্র্যাক্টিস ড্রোন। ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার পুলিশ সমুদ্র সৈকত থেকে সেটিকে উদ্ধার করেছে। জানানো হয়েছে সেনাবাহিনীকেও। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই বলেই তিনি জানান।

অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন ১ ব্লকেও একটি ড্রোন উদ্ধার হয়েছে। এদিন সকালে শরশঙ্কা সংলগ্ন বকুলতলার কাজুচক এলাকার ধানজমিতে সেটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেটির বিমানের আদলে। পুলিশ সেটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পরে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ড্রোনটি ইন্ডিয়ান অয়েলের। সংস্থার পাইপলাইনের কাজ চলছিল। ওই কাজে নজরদারির জন্যই সেটি ব্যবহার করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘শুধরে যাও, নাহলে…’, নাম না করে রাষ্ট্রসংঘে ফের ‘সন্ত্রাসী’ পাকিস্তানকে তুলোধোনা জয়শংকরের
-
পুরভোটের আগে ফের সাংগঠনিক রদবদল বঙ্গ বিজেপিতে, বড় দায়িত্বে সজল
-
ভিনিসিয়াস-নুনেজদের স্বাগত জানাতে সেজে উঠছে যুবভারতী
-
রাষ্ট্রসংঘে মহানাটক! ইরানের দূতকে রহস্যময় উপহার দিতে গেলেন ইজরায়েলের প্রতিনিধি, তারপর…
-
২৪ দিনে ৫৫ নবজাতকের মৃত্যু! বিতর্কে কী বলছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল?