আটের দশক থেকে গেরুয়া রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। নানা উত্থান-পতন, ঝড়ঝঞ্ঝা সামলেছেন। ব্যক্তিগত সাফল্য, ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে দলের প্রতি থেকেছেন একনিষ্ঠ। অবশেষে ২০২৬ সাল তাঁকে স্বপ্নপূরণের দুয়ারে দাঁড় করাল। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে জিতেই তিনি সটান পৌঁছে গেলেন মন্ত্রীর চেয়ারে। বলা হচ্ছে বীরভূমের রাজনীতিতে বিজেপির পরিচিত মুখ দুধকুমার মণ্ডলের (Dudh Kumar Mondal) কথা। দীর্ঘ প্রায় চার দশকের রাজনৈতিক সংগ্রাম, একাধিক নির্বাচনী পরাজয় এবং সাংগঠনিক পরিশ্রমের পর অবশেষে এই নির্বাচনে বড়সড় জয়ের স্বাদ পেলেন তিনি। ময়ূরেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে এবার প্রথমবার বিধানসভায় পা রেখে বসলেন মন্ত্রীর আসনে।
আরও পড়ুন:
দুধকুমার মণ্ডলের রাজনৈতিক জীবনের সূত্রপাত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস সংগঠন থেকে। সেখান থেকে উঠে এসে বিজেপিতে নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন প্রবীণ নেতা। ১৯৮৮ সালে প্রথমবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের মাধ্যমে সক্রিয় রাজনীতির ময়দানে নামেন দুধকুমার মণ্ডল। ময়ূরেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রথমবারেই জয়লাভ করেন। এরপর ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ময়ূরেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য হিসেবে কাজ করেন। এরপর ১৯৯৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফের জয়ী হয়ে ময়ূরেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নির্বাচিত হন তিনি। পরে আবার পঞ্চায়েত সদস্য হন এবং পরবর্তীতে ফের প্রধানের দায়িত্বও সামলান। শুধু গ্রাম পঞ্চায়েতেই নয়, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ স্তরেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
২০১১ সালে প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেন দুধকুমার মণ্ডল। ময়ূরেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়ে সেবার সিপিএম প্রার্থী অশোক রায়ের কাছে পরাজিত হন তিনি। তবে সেই পরাজয় তাঁকে রাজনৈতিকভাবে দমিয়ে রাখতে পারেনি। ২০১৫ সালে তিনি বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং জেলার সংগঠন শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০১৬ সালে ফের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হন দুধকুমার মণ্ডল। সেবার রামপুরহাট বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে সেবারও তৃণমূল প্রার্থী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পরাজিত হন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। কিন্তু সেখানেও জয় অধরা থেকে যায়।

স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পর ২০১১ সালে প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেন দুধকুমার মণ্ডল। ময়ূরেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়ে সেবার সিপিএম প্রার্থী অশোক রায়ের কাছে পরাজিত হন তিনি। তবে সেই পরাজয় তাঁকে রাজনৈতিকভাবে দমিয়ে রাখতে পারেনি। ২০১৫ সালে তিনি বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং জেলার সংগঠন শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০১৬ সালে ফের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হন দুধকুমার মণ্ডল। সেবার রামপুরহাট বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে সেবারও তৃণমূল প্রার্থী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পরাজিত হন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। কিন্তু সেখানেও জয় অধরা থেকে যায়।
অবশেষে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ময়ূরেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হয়ে বিধানসভায় পা রাখেন বিজেপির এই প্রবীণ নেতা। প্রথমবার বিধানসভায় গিয়েই এবার দুধকুমারের সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হল মন্ত্রিত্বের পালক। সোমবার লোকভবনে শপথগ্রহণের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার যেভাবে যা করতে বলবে, সেই কাজ করে যাব। যে দুর্নীতি বাংলায় দানা বেঁধেছিল, তা আজ পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে বিজেপি সরকারে আসার পর। স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। এবার গ্রাম-শহরে ব্যাপক উন্নতি হবে। তবে এই সুদিন যাঁরা দেখে যেতে পারলেন না, যাঁদের জন্য আজ বিজেপির এই সাফল্য, তাঁদের কথা মনে পড়ছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে ৫০০ ভুয়ো ডাক্তার! ১০ লক্ষের বিনিময়ে মিলেছে রেজিস্ট্রেশন নম্বর
-
চকোলেট চুরি করে খাওয়ায় চাকরি হারাল যুবক, অভিযুক্তকে ‘ব্ল্যাকমেল’ খোদ সংস্থার
-
উত্তরাখণ্ডে ভোটের মুখে বিরাট ধাক্কা কংগ্রেসের, দলের সব পদ ছাড়লেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী
-
বঙ্গ তারকার চোটে দলে জায়গা, দলীপ ফাইনালে সেঞ্চুরির পর জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন তরুণ তুর্কির
-
কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির দিঘিতে ভাসছে লাশ! সাতসকালে উদ্ধার দেহ, মৃত্যু ঘিরে ধোঁয়াশা