সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে দার্জিলিংয়ের শ্বেতিঝোরায় রাজ্যপাল। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এছাড়াও একাধিক প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনের কথা রয়েছে বোসের। বিঁধলেন রাজ্য সরকারকেও।
বৃহস্পতিবার দিল্লি থেকে ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটের বিমানে চড়েন রাজ্যপাল। সকাল ৮টা নাগাদ বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছন। সেখান থেকে সড়কপথে দার্জিলিংয়ের শ্বেতিঝোরায় পৌঁছন রাজ্যপাল। প্রবল বৃষ্টিতে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নেমেছে আগেই। ফলে বিপর্যস্ত যান চলাচল। ওই এলাকার স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন সি ভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল বলেন, “মেঘভাঙা বৃষ্টি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ট্রাফিক ব্যাহত। সাধারণ মানুষ বিপর্যস্ত। এটাই ভাল যে সাধারণ মানুষ ত্রাণ শিবিরে যাচ্ছেন। উন্নয়নের নামে প্রকৃতিকে ধ্বংস করা হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। রাজ্য সরকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।”
[আরও পড়ুন: বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃতপ্রায়! ভ্যানচালকদের তৎপরতায় মায়ের কোলে ফিরল হনুমান শাবক]
উল্লেখ্য, প্রাপ্য আদায়ের জন্য বৃহস্পতিবার রাজভবন অভিযান কর্মসূচি রয়েছে তৃণমূলের। আর ওইদিনই রাজভবনে নেই রাজ্যপাল। তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। দুর্যোগ কবলিত উত্তরবঙ্গ সফরের প্রসঙ্গে রাজ্যপালকে খোঁচা দিতে ছাড়েনি শাসকশিবির। তাঁকে ‘পর্যটক’ খোঁচা দিয়েছিল তৃণমূল। তারই পালটা জবাব দেন রাজ্যপাল। সি ভি আনন্দ বোসের কথায়, “হ্যাঁ, আমি পর্যটক। বিপদগ্রস্ত মানুষদের দেখতে এসেছি। ‘জুনিয়র অ্যাপয়েন্টি’ মন্ত্রীরও আমার সঙ্গে পর্যটকের মতো আসা উচিত ছিল।” এদিন একাধিক প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনের কথা রাজ্যপালের। দুপুর ২টো ৫০ মিনিটের বিমানে ফের দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা তাঁর।
[আরও পড়ুন: হাই কোর্টের নির্দেশের পরই ব্যবস্থা, গ্র্যান্ড হোটেলের সামনে ফুটপাত মেপে হকার বসাবে পুরসভা]
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে লজ্জার মুখে টিম ইন্ডিয়া, সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে সুযোগ পাবে বৈভব?
-
এবার কলকাতার রাস্তা হকারমুক্ত হবে? বড় ইঙ্গিত দিলীপ ঘোষের
-
এক সপ্তাহের ডেডলাইন! জবরদখল হঠাতে শিয়ালদহ ও সুকান্ত সেতুতে নোটিস পুরসভার
-
জগন্নাথের মতোই স্নানযাত্রা কালীঘাটেও, জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমায় মিলল শাক্ত-বৈষ্ণব ধারা
-
‘সংঘে ভালো মানুষের অভাব’, কৈলাসের মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক