সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছোট্ট বয়সে ভারী ব্যাগে ঝুঁকে পড়ে কাঁধ। খাতা-বইয়ের সঙ্গে রোজ স্কুলে নিয়ে যেতে হয় জলের বোতল, টিফিন বক্সও। দিনের পর দিন ছবিটা একইরকম থেকে যায়। ফলে ক্লাস শুরুর আগেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে শিশুরা। কিন্তু উপায় কোথায় অভ্যাস পালটানোর? একটি বই বা খাতা স্কুলে নিয়ে না গেলেই শাস্তি দেবেন শিক্ষক। তাই অভিভাবকরাও অপারগ। স্কুলের নির্দেশের সামনে তাঁদেরও হাত-পা বাঁধা। কিন্তু এবার ছবিটা বদলাতে চলেছে। বছরের প্রথম দিনই সুখবর দিল রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর। প্রাথমিকের খুদে পড়ুয়াদের এই করুণ অবস্থা ঘোচাতে উদ্যোগী হল সরকার। সোমবার সিলেবাস কমিটিকে প্রাথমিক শ্রেণির বইয়ের ভার লঘু করার নির্দেশ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
[‘সুবিচার পেয়েছি বলেই বিজেপিতে’, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে খুশি ইশরাত]
এদিন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যানের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। অনেকভাবেই বইয়ের ভার কমানো সম্ভব। বইয়ে ছবির ব্যবহার কমিয়ে, অথবা ছবির মাপ ছোট করে পাতার সংখ্যা কমানো যেতেই পারে। প্রয়োজনে বদলে দেওয়া যেতে পারে সিলেবাসও। পড়ার কিছু বিষয় উঁচু শ্রেণিতে স্থানান্তরিতও করা যেতে পারে।” সেক্ষেত্রে বাচ্চাদের উপর চাপ অনেকটাই কমবে বলে আশা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের।
[কর্মীরা দলের সম্পদ, তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে মমতার বার্তা]
এদিকে সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান জানান, শিক্ষা দপ্তরের তরফে তাঁরা বইয়ের ভার কমানোর নির্দেশ পেয়েছেন। সেই অনুযায়ী প্রক্রিয়া শুরুও হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ এবার থেকে বইয়ের ভারে কাঁধ ঝুঁকে যাওয়ার কষ্ট থেকে মুক্তি পাবে খুদে ছাত্রছাত্রীরা। শিশু মন ও শরীর থাকবে চাপমুক্ত।
সর্বশেষ খবর
-
নেপালের বন্যায় ভেসে এল ব্যাঙ্ক লকার! ৯২ লক্ষ টাকা লুট করে ‘শ্রীঘরে’ ২৯ জন
-
‘আমার দেওয়া কালীঠাকুর রোজ পুজো করতেন’, প্রয়াত আশিসের বাড়ি গিয়ে স্মৃতিচারণা মুখ্যমন্ত্রীর
-
প্রয়োজন ছিল অনেক টাকার! আয়ুষ্মান কার্ডে ডুয়ার্সের কৃষকের নিখরচায় অস্ত্রোপচার
-
সর্বস্ব খুইয়ে নিঃস্ব, বাড়িভাড়ার টাকায় দিন গুজরান, এবার বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা সুভাষ চন্দ্রর!
-
কুলপিতে তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমা-বন্দুকের পাহাড়! অশান্তির ছক?