কে বেশি জনপ্রিয়, পঞ্চায়েতের সম্মুখ সমরে এবার শ্বশুর ও জামাই

পঞ্চায়েতে সরগরম বাদুরিয়া।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০১৮, ১০:৩৩

options
link
কে বেশি জনপ্রিয়, পঞ্চায়েতের সম্মুখ সমরে এবার শ্বশুর ও জামাই

ব্রতদীপ ভট্টাচার্য: রাজনীতির লড়াই ঘরের অন্দরে ঢুকেছে অনেক আগেই। ভোটের ময়দানে কাকা-ভাইপো অথবা জায়ে জায়ে লড়াই দেখেছে এ রাজ্য। এবার সম্মুখ সমরে শ্বশুর ও জামাই। আর এই দ্বৈরথকে কেন্দ্র করে সরগরম উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ার চাঁদপুর গ্রাম। বাদুড়িয়ার বাগজোলা পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের নজর এখন চাঁদপুর গ্রামের সংশ্লিষ্ট আসনের উপরে। একদিকে পরপর তিনবারের গ্রাম সভার সদস্য শ্বশুর। অন্যদিকে জামাই হচ্ছেন গ্রামের বুথ সভাপতির ছেলে। তৃণমূল প্রার্থী শ্বশুর রফিকুল্লাহ শেখকে হারাতে আম চিহ্ন নিয়ে তোপ দেগেছেন জামাই হাফিজুর রহমান। হাফিজুরের ভোট সেনাপতি স্বয়ং তাঁর বাবা আবদুল সৈয়দ। সামনে থেকে লড়াইটা শ্বশুর-জামাইয়ের বলে মনে হলেও  নেপথ্যের কাহিনিটা কিন্তু অন্য। আদতে লড়াই দুই বেয়াইয়ের মধ্যে। রাজনীতির এই লড়াইয়ের দরুণ আড়াআড়ি ভাগ হয়ে গিয়েছে দুই পরিবার। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে  একই গ্রামে কয়েকশো মিটার দূরে বাড়ি হলেও মুখ দেখাদেখি বন্ধ দুই পরিবারের।

Advertisement

[পঞ্চায়েত ভোটের মুখে সিভিক কমব্যাট ফোর্স গঠন, বিতর্কে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ]

বছর ১৪ আগে রফিুকুল্লাহর বড় মেয়ের সঙ্গে আদুল সৈয়দের ছেলে হাফিজুরের বিয়ে হয়। এলাকাবাসীর থেকে জানা যায়,  দুই পরিবারের সম্পর্ক ভালই ছিল। ২০১৩  থেকে রফিকুল্লাহ আর আবদুল সৈয়দের সংঘাত শুরু হয়। স্থানীয় সূ্ত্রে জানা যায়, সেবার কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী হিসাবে দাঁড়িয়েছিলেন রফিকুল্লাহ। তাঁর বিরুদ্ধে আবদুল সৈয়দের এক সঙ্গী দাঁড়িয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে। রাজনৈতিক রেষারেষির প্রভাব পড়ে তাঁদের সম্পর্কেও। ২০১৩-র নির্বাচনে জেতার পর তৃণমূলে যোগ দেন রফিকুল্লাহ। তাতে দু’জনের সম্পর্কে যেন ঘৃতাহূতি দেয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গোটা এলাকা এখন শ্বশুর-জামাইয়ের মহারণে তেতে রয়েছে। গ্রাম জুড়ে দু’জনের প্রচারে ফ্লেক্স ব্যানার ও দেওয়াল লিখনে ছেয়ে গিয়েছে। এবারের নির্বাচনে কে জিতবে তা দেখতেই মুখিয়ে রয়েছেন প্রত্যেকে। শ্বশুর-জামাই দু’জনেই আত্মবিশ্বাসী। যদিও রফিকুল্লাহ শেখ ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের দাবি,  গোটা এলাকার সমর্থন তাঁর পক্ষেই। এলাকায় যা উন্নয়ন হয়েছে তা দেখেই মানুষ ভোট দেবেন। রফিকুল্লাহ শেখ বলেন, “জামাই নির্দল প্রার্থী হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সে মুম্বইয়ে থাকে। কয়েক মাস আগে ফিরেছে। আমরা সারা বছর মানুষের হয়েই কাজ করেছি।” অন্যদিকে আবদুল সৈয়দের দাবি,  “ছেলে বাইরে থাকলেও, আমি দলের হয়ে সব সময় মানুষের পাশে থাকি। মানুষ আমাদের পক্ষেই আছে।”

Advertisement

[কালনায় রাজনৈতিক সৌজন্য, একই দেওয়ালে ঘাসফুল ও কাস্তে-হাতুড়ি]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.