নিরুফা খাতুন: নতুন বছরের শুরুতেও হাড়কাঁপানো শীত বাংলায়। ১৮ বছর পর বর্ষবরণে রেকর্ড ঠান্ডা। কলকাতার তাপমাত্রা ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২.৬ ডিগ্রি কম। এর আগে গত ২০০৮ সালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
চলতি মরশুমে শীতবিলাসীদের খুশি করেছে আবহাওয়া। ডিসেম্বরের শেষ কয়েকটা দিন শীতে জবুথবু কলকাতাবাসী। তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করেছে ১২-১৩ ডিগ্রির আশেপাশে। স্বাভাবিকভাবেই জেলাগুলোতে তাপমাত্রা আরও কম। বেলা বাড়লেও কুয়াশায় মুড়ে থাকছে পথঘাট। একহাত দূরেও দেখতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। বছরের শুরুতেও বজায় রইল একই ধারা।
এর আগে বর্ষশেষেও শীতলতম দিনের সাক্ষী ছিল কলকাতা। বুধবার তিলোত্তমার তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছিল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার ভোরেও তাপমাত্রার হেরফের হয়নি এতটুকু। একইরকম ঠান্ডা শহরে। এদিন সকালে শহর জুড়ে কুয়াশার দাপটও লক্ষ্য করা যায়। ঘন কুয়াশায় মুখ ঢাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রাম। শুক্রবারও একইরকমভাবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঘন কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দৃশ্যমানতা ২০০ মিটার পর্যন্ত নামতে পারে। উত্তরবঙ্গেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বিশেষ হেরফের নেই। তবে শুক্রবার থেকে ধীরে ধীরে সামান্য বাড়তে পারে তাপমাত্রা। বৃহস্পতি এবং শুক্রবার হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পংয়ে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় হতে পারে তুষারপাতও। কুয়াশার সম্ভাবনাও রয়েছে।
উল্লেখ্য, উত্তর-পশ্চিম ভারতে নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হয়েছে। এছাড়া কেরলের উপর রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। জোড়া ফলায় উত্তরের রাজ্যগুলিতে তীব্র শীত অনুভূত হবে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় বেলা পর্যন্ত কুয়াশা থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা থাকবে ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি। কোথাও কোথাও খানিকটা বেড়ে ১২ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে। তবে উপকূলের জেলাগুলিতে ১৩ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত উষ্ণতার পারদ চড়তে পারে।
সর্বশেষ খবর
-
অবসর নেওয়ার পরই শ্রীলঙ্কা সিরিজে ফিরছেন রাহানে! তুঙ্গে চর্চা
-
নেতাজিকে ‘অসম্মানে’ পুলিশকে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর, গ্রেপ্তার হবেন অনন্ত মহারাজ?
-
ফাটতে পারে অ্যাপেন্ডিক্স! ছ’বছরের শিশুর কঠিন অস্ত্রোপচার সফল রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে
-
জাহ্নবীর ‘অশ্লীল কন্টেন্ট’ মামলা: তারকা হলেই সব নিয়ন্ত্রণ করা যায়? প্রশ্ন দিল্লি হাই কোর্টের
-
বিজেপি নেতার বাড়ির পাঁচিলে সাদা থান, গাঁদার মালা, হুমকি চিঠিতে লেখা, ‘সাবধান হয়ে যা, নইলে…!’