West Bengal

হুগলির হিন্দুস্তান মোটরসের ৩৯৫ একর জমিতে তৈরি হবে শিল্প, সমীক্ষা শুরু রাজ্যের

সমীক্ষার কাজ শুরু করেছে রাজ্য শিল্পন্নয়ন নিগম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২৫, ১৩:৫২

options
link
হুগলির হিন্দুস্তান মোটরসের ৩৯৫ একর জমিতে তৈরি হবে শিল্প, সমীক্ষা শুরু রাজ্যের

সুমন করাতি, হুগলি: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ইতিমধ্যে উত্তরপাড়া-হিন্দমোটরে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত হিন্দুস্তান মোটরসের ৩৯৫ একর জমি ফেরত পেয়েছে রাজ্য। আর সেই জমিকেই শিল্পের উপযোগী করে তুলতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। তাও আবার আগামী শিল্প সম্মেলনের আগেই। সেই মতো বিস্তারিত সমীক্ষার কাজ শুরু করে দিল রাজ্য শিল্পন্নয়ন নিগম। এই সমীক্ষায় জমির প্রকৃতি, উচ্চতা, প্রাকৃতিক সীমানা থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ পরিকাঠামো পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় সব তথ্য সংগ্রহ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও ধাপে ধাপে আরও বেশ কয়েকটি কাজ করা হবে বলেও জানা গিয়েছে।

Advertisement

যার মধ্যে রয়েছে মৌজা মানচিত্রের উপর সমীক্ষা তথ্য বসানোও। এছাড়াও বসানো হবে ডি-জিপিএস ভিত্তিক রেফারেন্স পিলার। আছে স্পষ্ট লেভেল মাপ, কন্টুর লাইন প্রস্তুতও। যা সমীক্ষার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানাচ্ছেন আধিকারিকরা। রাজ্য শিল্পন্নয়ন নিগমের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, জমি ভাগ করে শিল্পপ্লট তৈরির ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি ভাগ রয়েছে। যার মধ্যে নির্ভুলভাবে জমির চরিত্র নির্ধারণ। এছাড়াও যে কোনও সমস্যা এড়াতে প্রযুক্তিগত ভিত্তিও খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান ওই আধিকারিক। এছাড়াও জলনিকাশী ব্যবস্থা, সীমানা তৈরি-সহ একাধিক বিষয়গুলিও সমীক্ষার দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দপ্তর সূত্রের দাবি, হিন্দ মোটর এলাকার আশপাশে থাকা গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর অবস্থানও সমীক্ষায় তুলে ধরা হবে। নিকটতম রেলস্টেশন, বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন, রাজ্য ও জাতীয় সড়কের দূরত্ব, পরিবহন সুবিধা এবং সম্ভাব্য সীমাবদ্ধতা সবই প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। পরে মাস্টার প্ল্যান তৈরি করার সময় এই তথ্যই জমি ব্যবহারের চূড়ান্ত নকশা নির্ধারণে সাহায্য করবে।

Advertisement

কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটির অন্তর্গত হিন্দ মোটর অঞ্চলটি। এই এলাকার ভৌগলিক গুরুত্ব যথেষ্ট। বিশেষ করে একদিকে জিটি রোড এবং অন্যদিকে হিন্দ মোটর রেলওয়ে স্টেশন রয়েছে। ফলে বিশাল জমিতে হালকা ও মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে বলে মনে করছে দপ্তর। ফলে পরিকল্পনা, মানচিত্রায়ন ও প্লট বিভাজনের কাজ শেষ হলে শিল্প সম্প্রসারণে হিন্দ মোটরের বিস্তীর্ণ জমি যে গুরুত্বপূর্ণ ভরকেন্দ্র হতে চলেছে তা স্পষ্ট বলেও মনে করছেন আধিকারিকরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন