সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি কোনওদিন গাড়িতে লালবাতি ব্যবহার করেননি। এমনকী সরকারি সুবিধা নিতেও তাঁর বেজায় আপত্তি। বেতনও নেন না। নিজের বইয়ের রয়্যালটি থেকেই খরচ চালিয়ে নেন বলে জানিয়েছেন অনেকবার। তাই লালবাতি অবসানের কেন্দ্রীয় ফরমানে তাঁর কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু তাঁর সরকারের অন্যান্য অফিসারদের গাড়ি চিহ্নিত হবে কী করে? ভেবেচিন্তে একটা উপায় বের করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নিজের ডিজাইন করা পতাকাতেই এবার চিহ্নিত হবে বিশেষ গাড়ি।
[ অন্যের জমিতে শৌচ, ‘ট্যাক্স’ দিয়ে রেহাই দলিত মহিলাদের ]
সম্প্রতি ভিআইপি কালচারে ইতি টেনে লালবাতি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এই নিয়ে বিভিন্ন সময় সওয়াল করেছেন। তথাকথিত ভিআইপি সংস্কৃতি অবসান হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি। সেই মতো গাড়িতে লালবাতি আর লাগাতে পারবেন না ভিআইপি-রা। এ নিয়ে কোনও আপত্তি নেই রাজ্যের। বরং এ সিদ্ধান্তকে স্বাগতই জানানো হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় নিয়ম মেনেই রাজ্যের আইএস অফিসারদের গাড়ি পৃথকভাবে চিহ্নিত করা যায় কী উপায়ে? শেষমেশ উপায় অবশ্য বের করেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই। পদমর্যাদার নিরিখে প্রত্যেক অফিসারের গাড়িতে থাকবে আলাদা একটি পতাকা। সেটির নকশা বা ডিজাইনও করেছেন মুখ্যমন্ত্রীই। এই পতাকাই চিনিয়ে দেবে যে কোনটা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিসারের গাড়ি। মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দের নীল রঙের এই পতাকায় অবশ্যই দেওয়া থাকবে ‘ব’ অক্ষরটি। মোটামুটি তিন ধরনের পতাকাতেই গাড়িগুলিকে পৃথক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
[ তারকেশ্বর মন্দির ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম! জানেন সত্যিটা কী? ]
পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়িত করা হচ্ছে জানিয়ে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ঠিক কতগুলো পতাকা লাগবে তা দেখা হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের হাতে পতাকা তুলে দেওয়া হবে, যাতে তাঁরা গাড়িতে তা লাগাতে পারেন। পুলিশ ও দেশের জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকেও এই পতাকার ব্যাপারে জানিয়ে রাখবে পরিবহণ দপ্তর।
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ