Jalpaiguri

কর্মক্ষেত্রে পরকীয়ায় মজে স্বামী! জলপাইগুড়ির বাড়ি থেকে উদ্ধার মহিলা কনস্টেবলের ঝুলন্ত দেহ

ঘটনার তদন্ত চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ মৃত কনস্টবলের পরিবার। অভিযুক্তের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

শান্তনু কর
শান্তনু কর

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৭:১০

options
link
কর্মক্ষেত্রে পরকীয়ায় মজে স্বামী! জলপাইগুড়ির বাড়ি থেকে উদ্ধার মহিলা কনস্টেবলের ঝুলন্ত দেহ
সকালে মামনি রায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মহিলা কনস্টেবলের রহস্যমৃত্যু জলপাইগুড়িতে। মৃতের নাম মামনি রায়। আজ সোমবার সকালে বাড়ি থেকেই জলপাইগুড়ি পুলিশের সদর ট্রাফিকে কর্মরত কনস্টেবল মামনি রায়ের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়েই ছুটে যায় পুলিশ। কেন এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক অনুমান, স্বামীর পরকীয়ার সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি মামনি। আর সেই কারণেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন মামনি। যদিও অন্যান্য সবদিকগুলি পুলিশের তরফে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি পুলিশের সদর ট্রাফিকে কর্মরত কনস্টেবল ছিলেন মামনি। ভাড়া থাকতেন জলপাইগুড়ি শহরের সেন পাড়ার একটি ভাড়া বাড়িতে। স্বামীকে নিয়ে সুখের সংসার ছিল মামনির। কিন্তু গত ছয়মাস আগে পরিবারে নেমে আসে অন্ধকার! অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে অন্য মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন স্বামী। আর তা মেনে নিতে পারেননি মামনি। তা নিয়ে মাঝে মধ্যেই দুজনের মধ্যে অশান্তি লেগে থাকত বলে দাবি স্থানীয়দের। এমনকী মামনিকে মারধর করা হতো বলেও অভিযোগ। রবিবারও তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এরপরেই এদিন সকালে ঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মামনির দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। 

Advertisement

অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে অন্য মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন স্বামী। আর তা মেনে নিতে পারেননি মামনি। তা নিয়ে মাঝে মধ্যেই দুজনের মধ্যে অশান্তি লেগে থাকত বলে দাবি স্থানীয়দের। এমনকী মামনিকে মারধর করা হতো বলেও অভিযোগ।

অন্যদিকে মারধরের কথা মেনে নিলেও অন্য মহিলার সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেছেন স্বামী। তাঁর দাবি, অর্থনৈতিক কারণেই এই ঘটনা। যদিও এহেন দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন মৃতার দিদি। তাঁর কথায়, অন্য একটি মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল অভিযুক্ত চন্দনের। আর তা নিয়েই দুজনের মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকত। বাধ্য হয়েই চরম এই সিদ্ধান্ত নিতে বোন বাধ্য হয়েছে বলে দাবি দিদির। এদিকে ঘটনার তদন্ত চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ মৃত কনস্টবলের পরিবার। অভিযুক্তের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তও শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.