UEM Kolkata

শিক্ষায় অনন্য নজির, ইউইএম কলকাতায় উদযাপিত ‘আচার্য অনার্স ২০২৬’

শিক্ষার আলো যাঁরা জ্বেলে রাখেন, তাঁদের কুর্নিশ জানাল কলকাতা। তিলোত্তমার বুকেই তৈরি হল এক অনন্য নজির। শিক্ষকতা এবং গবেষণার জগতে বিশিষ্টদের অবদানকে সম্মান জানাতে এক অভিনব উদ্যোগ দেখাল ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (ইউইএম)।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৬, ১৪:৫৫

options
link
শিক্ষায় অনন্য নজির, ইউইএম কলকাতায় উদযাপিত ‘আচার্য অনার্স ২০২৬’
শিক্ষাজগতের নক্ষত্রদের এক মঞ্চে আনল ইউইএম কলকাতা।

শিক্ষার আলো যাঁরা জ্বেলে রাখেন, তাঁদের কুর্নিশ জানাল কলকাতা। তিলোত্তমার বুকেই তৈরি হল এক অনন্য নজির। শিক্ষকতা এবং গবেষণার জগতে বিশিষ্টদের অবদানকে সম্মান জানাতে এক অভিনব উদ্যোগ দেখাল ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (ইউইএম)। গত ১১ এবং ১২ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে ক্যাম্পাস চত্বরে সফলভাবে সম্পন্ন হল দু’দিনের বিশেষ অনুষ্ঠান ‘আচার্য অনার্স ২০২৬’ এবং ‘বায়োআচার্য অনার্স ২০২৬’।

Advertisement

অনুষ্ঠানের দু’দিনই প্রদীপ জ্বালিয়ে যৌথভাবে উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্যজিৎ চক্রবর্তী, আইকিউএসি অধিকর্তা অধ্যাপক ড. রাজশ্রী পাল, বিজ্ঞান শাখার ডিন অধ্যাপক ড. রাজীব গাঙ্গুলী, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সুকল্যাণ গোস্বামী এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সুস্মিতা মুখোপাধ্যায়। প্রথম দিনটি উৎসর্গ করা হয়েছিল সেইসব স্কুলপ্রধান ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে, যাঁরা নিরলস পরিশ্রমে পড়ুয়াদের নিট (NEET), জেইই (JEE) বা বোর্ডের পরীক্ষার জন্য তৈরি করছেন। এই মঞ্চেই লাইফ সায়েন্স ক্ষেত্রে দীর্ঘ অবদানের জন্য ড. প্রণব কুমার প্রধানকে ‘লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হল। শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ‘এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন চন্দন কুমার মাইতি।

Advertisement

দ্বিতীয় দিনে রাজ্যের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনবিজ্ঞানের গবেষক ও অধ্যাপকদের সম্মানিত করা হল। বিজ্ঞানচর্চা এবং গবেষণার প্রসারে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হল। এই মঞ্চ থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি বিভাগ তাদের আগামী দিনের রূপরেখা তুলে ধরল। বিটেক কোর্সের পাশাপাশি এবার বায়োইনফরমেটিক্স, মাইক্রোবায়োলজি এবং মলিকুলার বায়োলজিতে নতুন এমএস (MS) কোর্স চালু করার কথা ঘোষণা করল কর্তৃপক্ষ। নতুন প্রজন্মের গবেষক তৈরি করতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত কার্যকরী হবে বলে মত শিক্ষাবিদদের। সব মিলিয়ে গুণীজনদের এই মেলা আগামী দিনে বাংলার শিক্ষাজগতকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.