সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার ভয় কাটিয়ে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে বাংলা। ক্রমাগত কড়া বিধিনিষেধের জেরে লাগাম টানা গিয়েছে করোনা সংক্রমণে। উঠে গিয়েছে সমস্ত কোভিডবিধি। আর স্বাস্থ্যদপ্তরের রিপোর্ট বলছে, করোনার দৈনিক সংক্রমণ তিরিশেরও নিচে নেমে গিয়েছে। কোনও মৃত্যুও ঘটেনি।
শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনা পজিটিভ হয়েছেন ২০ লক্ষ ১৭ হাজার ৬৩৭ জন। তার মধ্যে প্রায় ৯৯ শতাংশই করোনা মুক্ত হয়ে গিয়েছেন। বুলেটিন বলছে, একদিনে রাজ্যে কোভিড থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪০ জন। এখনও পর্যন্ত বাংলার ১৯ লক্ষ ৯৫ হাজার ৯৪৭ জন ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জয়ী। বর্তমানে সুস্থতার হার ৯৮.৯২ শতাংশ। করোনার দৈনিক পজিটিভিটি রেট কমে হয়েছে ০.২৩ শতাংশ। হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ৪৩৯ জন। হাসপাতালে ভরতি ৫১ জন করোনা আক্রান্ত।
[আরও পড়ুন: এখনও মেডিক্যাল টিমের পর্যবেক্ষণে অনুব্রত, শ্বাসকষ্ট দূর করতে নাকে বসল বিশেষ মেশিন]
চলতি বছরই দেশে চতুর্থ ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তারই মধ্যে নয়া আতঙ্ক হয়ে উঠেছে এক্সই ভ্যারিয়েন্ট। তাই নাইট কারফিউ কিংবা কনটেনমেন্ট জোনের মতো কোভিডবিধি উঠে গেলেও মাস্ক পরা ও স্য়ানিটাইজার ব্যবহার এখনও চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শই দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এর মধ্যে স্বস্তি দিচ্ছে কমতে থাকা মৃত্যুহার। গত ২৪ ঘণ্টায় যেমন রাজ্যে করোনায় কেউ প্রাণ হারাননি। এই নিয়ে টানা দশদিন মৃত্যুহীন বাংলা। এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে মারণ ভাইরাসের বলি ২১ হাজার ২০০ জন।
কোভিডবিধি উঠে গেলেও সংক্রমণ রুখতে নমুনা পরীক্ষা চলছে। একদিনে ১১ হাজার ৪৮৪টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ২ কোটি ৪৮ লক্ষ ৫০ হাজার ৭৩৭টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। টেস্টিংয়ের পাশাপাশি টিকাকরণও চলছে জোরকদমে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার টিকা নিয়েছেন ১ লক্ষ ৪,০৭২ হাজার জন।
[আরও পড়ুন: ঠিক যেন খেলনা! মাটিতে নামতেই দু’টুকরো বিমান, ভাইরাল ভিডিও]
সর্বশেষ খবর
-
‘আমার জন্য প্রার্থনা করুন…’, নেপাল থেকে নিরাপদে ছেলের কাছে ফিরতে চান বাংলাদেশি নায়িকা অপু
-
‘নিরাপদে থাকুন…’, দেশের বিধ্বস্ত অবস্থা দেখে মন কাঁদছে নেপাল ক্রিকেটারদের
-
বিধ্বস্ত নেপালে নিখোঁজ বাংলার বহু, বসিরহাট-শিলিগুড়ির উদ্বিগ্ন পরিবারে হাহাকার
-
ডোভারম্যান লেলিয়েও লাভ হল না! সাট্টাবাজের বাড়ি থেকে দেড় কেজি সোনা, নগদ উদ্ধার তদন্তকারীদের
-
প্লাস্টিক থেকে তৈরি বিস্কুটে মিটবে খিদে, তাক লাগানো আবিষ্কারে সমাজে কমবে প্লাস্টিক বর্জ্য