Covid-19

রোহতকের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হল করোনা আক্রান্ত হরিয়ানার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে

মন্ত্রীর স্বাস্থ্য নিয়ে এখনও উদ্বেগ কাটছে না।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৩, ২০২০, ২২:৫৩

options
link
রোহতকের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হল করোনা আক্রান্ত হরিয়ানার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভ্যাকসিনের ডোজ নেওয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যেই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন হরিয়ানার স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনিল ভিজ। তবে হোম আইসোলেশন নয়, সিভিল হাসপাতালে ভরতি হতে হয়েছিল তাঁকে। এবার তাঁকে রোহতকের PGIMS হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হল। ফলে মন্ত্রীর স্বাস্থ্য নিয়ে এখনও উদ্বেগ কাটছে না।

Advertisement

শনিবার রাতেই রোগতকের হাসপাতালে ভরতি করা হয় তাঁকে। রবিবার চিকিৎসকরা প্রথমে জানিয়েছিলেন, সিভিল হাসপাতালে অসুবিধা হচ্ছিল অনিল ভিজের। সেই কারণেই তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে ডা. গজেন্দ্র সিং জানান, করোনার উপসর্গ প্রকট হয়ে ওঠার কারণেই তাঁকে এখানে নিয়ে আসা হয়। তিনি এও জানান, হাসপাতালে চিকিৎসকদের একটি দল স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে। তাঁর চিকিৎসায় ইতিমধ্যেই রেমডিসিভিস ব্যবহার করা হয়েছে। প্লাজমা থেরাপির প্রয়োজন আছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে আপাতত তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।  

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফের বিজেপির অন্দরে করোনার থাবা, আক্রান্ত সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা]

তাঁর করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে কোটি কোটি মানুষ আশাহত হয়েছিলেন। শুধু এক রাজ্যের মন্ত্রী বলে নন, আসলে হরিয়ানায় তিনিই প্রথম ভারত বায়োটেকের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন কোভ্যাক্সিনের (Covaxine) ডোজ নিয়েছিলেন। ভ্যাকসিনের ডোজ নেওয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর করোনা সংক্রমণের হওয়ার খবরে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছিল এই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে। প্রোটোকল মানছিলেন কি না, সে নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তবে অনিল ভিজ সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরে কোনও প্রোটোকল তিনি ভঙ্গ করেননি। আক্রান্ত হওয়ার আধ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে ভরতি হয়ে গিয়েছিলেন। আসলে অনেকে দাবি করছিলেন, অনিল ভিজ (Anil Vij) নাকি করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরও কোনও নিয়ম না মেনে একাধিক মিটিং করেছেন। সেই দাবি পুরোপুরি নস্যাৎ করে দেন ভিজ।

পাশাপাশি তিনি এও বলেন, তিনি করোনা আক্রান্ত হওয়া মানেই এমন নয়, যে ভারত বায়োটেকের ভ্যাকসিন (Corona Vaccine) কার্যকরী নয়। তাঁর দাবি, “ভারত বায়োটেক আগেই জানিয়ে দিয়েছিল এই ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ প্রথম ডোজের ২৮ দিন পর নিতে হয়। এবং দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ১৪ দিন পর তৈরি হয় অ্যান্টিবডি। একমাত্র সমস্ত সাবধানতা অবলম্বন করার পরই করোনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।” ভিজ যেহেতু দ্বিতীয় ডোজ এখনও নেননি, তাই তাঁর শরীরে এখনও অ্যান্টিবডি তৈরি হয়নি। সুতরাং, তাঁর আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার কোনও সম্পর্ক নেই।

[আরও পড়ুন: রাজনাথ আসরে নামতেই বরফ গলার ইঙ্গিত, আন্দোলন ছেড়ে আলোচনার পথে একাধিক কৃষক সংগঠন]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.