PM CARES-এর অর্থ জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিলে পাঠানো যায় না, মত সুপ্রিম কোর্টের

পাবলিক চ্যারিটেবল ট্রাস্ট হিসেবে ২৮ মার্চ পিএম কেয়ার তহবিল গড়ে তোলা হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২০, ১৩:৫৮

options
link
PM CARES-এর অর্থ জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিলে পাঠানো যায় না, মত সুপ্রিম কোর্টের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: PM Cares ফান্ডের অর্থ জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিলে (NDRF) জমা করার কোনও প্রয়োজন নেই। দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন তহবিল। মঙ্গলবার সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে কেন্দ্রকে নির্দেশ দিতেও অস্বীকার করেছে আদালত। পিএম কেয়ারের অর্থ জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিলে পাঠানোর আরজি নিয়ে শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলা (PIL) দায়ের করা হয়েছিল। এদিন সেই মামলা খারিজ হয়ে যায়। সুপ্রিম কোর্ট আরও জানিয়েছে, পাবলিক চ্যারিটেবল ফান্ড হিসাবে এই তহবিল গঠন করা হয়েছে। তাই এই অর্থ অন্য তহবিলে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া চলে না।

Advertisement

এ দিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অশোক ভূষণ, বিচারপতি আর সুভাষ রেড্ডি এবং বিচারপতি এম আর শাহের তিন সদস্যের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “পাবলিক চ্যারিটেবল ট্রাস্ট হিসাবেই এর বৈধতা রয়েছে। এর সমস্ত অর্থ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে হস্তান্তর করার প্রয়োজন নেই।” একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, যে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থা জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য গঠিত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অর্থসাহায্য করতে পারে। প্রসঙ্গত, এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সুপ্রিম কোর্টে আবেদনে জানায়, করোনা মহামারীর আবহে পিএম কেয়ার তহবিলে জমা পড়া অর্থ জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা ত্রাণ তহবিলে পাঠানো হোক। পিএম কেয়ারে জমা পড়া অর্থের বিষয়ে স্বচ্ছতা নেই বলেও অভিযোগ ওঠে। এ প্রসঙ্গে আদালতের মন্তব্য. “পিএম কেয়ার-এর তহবিল বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ট্রাস্টের দান। এভাবে অনুদানের টাকা এনডিআরএফকে দেওয়া যায় না। তাই তহবিল স্থানান্তরের প্রয়োজন নেই।”

Advertisement

[আরও পড়ুন : ১৮ আগস্ট নেতাজির ‘মৃত্যুদিন’, একযোগে টুইট কংগ্রেস ও বিজেপি নেতাদের, শুরু বিতর্ক]

পাবলিক চ্যারিটেবল ট্রাস্ট হিসেবে ২৮ মার্চ পিএম কেয়ার তহবিল গড়ে তোলা হয়। যার প্রাথমিক লক্ষ্য হল, কোভিড-১৯ -এর মতো কোনও আপদকালীন বা সঙ্কটজক পরিস্থিতি মোকাবিলা করা। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল থাকা সত্ত্বেও এই ফান্ড গড়ে তোলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিরোধীরা। এমনকী, ফান্ডের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছিল। এদিন শীর্ষ আদালতের রায়ে ফান্ডের বৈধতাকে কার্যত স্বীকার করে নেওয়া হল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.