পরিযায়ী শ্রমিক

বাড়ি ফিরতে চেয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের বিক্ষোভ, থামাতে গিয়ে তেলেঙ্গানায় আক্রান্ত পুলিশকর্মী

সামাজিক দূরত্বকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলল বিক্ষোভ। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২০, ১৭:২৯

options
link
বাড়ি ফিরতে চেয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের বিক্ষোভ, থামাতে গিয়ে তেলেঙ্গানায় আক্রান্ত পুলিশকর্মী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউন উপেক্ষা করে ফের বিক্ষোভে শামিল হলেন পরিযায়ী শ্রমিক (Migrant Labourers)। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন পুলিশ কর্মীরা। ইটের ঘায়ে ভাঙল পুলিশের গাড়ির কাঁচ। জখম হলেন পুলিশ কর্মীও। বুধবার এহেন ঘটনার সাক্ষী রইল হায়দারবাদের আইআইটি (IIT) ক্যাম্পাস। প্রসঙ্গত, লকডাউনের পর থেকেই বিভিন্ন সময় পরিযায়ী শ্রমিকগের বিক্ষোভের সাক্ষী থেকেছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত। কখনও দিল্লি, কখনও মুম্বই তো কখনও তামিলনাড়ু থেকে বাড়ি ফিরতে চেয়ে আন্দোলন করেছেন তারা। কিন্তু অবস্থানে অবিচল কেন্দ্র জানিয়ে দিয়েছে, লকডাউন চলাকালীন এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে ফিরতে পারবেন না পরিযায়ী শ্রমিকরা। এদিনও হায়দরাবাদে সামাজিক দূরত্বকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলল বিক্ষোভ। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : চূড়ান্ত গাফিলতি! কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে পালালেন করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধ]

হায়দরাবাদের সাংরেড্ডি জেলার কান্দির আইআইটি(IIT) ক্যাম্পাসে নির্মাণকাজ চলছিল। সেই কাজে যুক্ত ছিলেন বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ডা, ছত্তিশগড় থেকে আসা প্রায় ১৬০০ পরিযায়ী শ্রমিক। আচমকা বুধবার সকাল থেকে তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এরপরই দ্রুত তাঁদের কাজে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু গত চার মাসের বকেয়া টাকা না মেটানো অবধি তাঁরা কাজ শুরু করবেন না বলে জানিয়ে দেন। তাঁদের দাবি, লকডাউনের মধ্যে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। উত্তেজনা বাড়তেই পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া হয়। ইটের ঘায়ে জখম হন এক পুলিশ কর্মী। এরপরই অতিরিক্ত পুলিশবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

[আরও পড়ুন : শতাধিক দরিদ্রের খাবারের ঠিকানা কাবেরী সেতু, সামাজিক দূরত্ব মেনেই চলছে আয়োজন]

পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা পুলিশ সুপার চন্দ্রশেখর রেড্ডি শ্রমিকদের নেতার সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়্ন্ত্রণে আনেন। শ্রমিকদের সঙ্গে কালেক্টর এম হানমন্থ রাওয়ের সঙ্গেও কথা বলিয়ে দেন। তিনি ওই শ্রমিকদের বেতন পাইয়ে দেওয়া ও সমস্তরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। বিক্ষোভের পর ওই নির্মাণ সংস্থা বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার কথাও ঘোষণা করে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন