Covid-19

করোনার উৎস না মিললে COVID-26 ও COVID-32-এর কবলে পড়বে বিশ্ব! সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের

আরও বড় বিপদের অপেক্ষায় বিশ্ব!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২১, ১৯:২৪

options
link
করোনার উৎস না মিললে COVID-26 ও COVID-32-এর কবলে পড়বে বিশ্ব! সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোভিড-১৯-এর (COVID-19) উৎস কোথায়? এই তথ্য খুঁজে বের করতে না পারলে আগামিদিনে বিরাট বিপদে পড়তে হবে বিশ্ববাসীকে। কোভিড ২০১৯-এর মতোই গোটা দুনিয়ায় দাপট দেখাবে এই নোভেল ভাইরাসের মতোই সাংঘাতিক ক্ষমতাসম্পন্ন ভাইরাস। এমনই আশঙ্কার কথা জানালেন দুই মার্কিন বিশেষজ্ঞ।

Advertisement

২০১৯ সালে প্রথমবার চিনের (China) ইউহান শহরে ছড়িয়েছিল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। ধীরে ধীরে যা অতিমারীর রূপ নিয়ে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু ইউহানের ল্যাবেই এই ভাইরাস তৈরি হয়েছিল নাকি এর উৎসের নেপথ্যে অন্য কিছু রয়েছে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাটাছেঁড়া চলছে। তবে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছুই জানানো হয়নি। অর্থাৎ মারণ ভাইরাসের উৎপত্তির আসল কারণ এখনও অধরা। আর ঠিক এখানেই লুকিয়ে বিপদ। টেক্সাসের এক শিশু হাসপাতালের কো-ডিরেক্টর পিটার হোটেজ বলছেন, “কীভাবে কোভিড-১৯-এর জন্ম হল, এর উৎস কী, এ বিষয়টি যদি আমরা বিস্তারিত জানতে না পারি, তাহলে কোভিড-২৬ এবং কোভিড-৩২-এর সম্মুখীন হতে হবে আমাদের।” এরপরই তিনি অতিমারী বিশেষজ্ঞদের আবেদন জানান, যাতে দ্রুত তাঁরা এই বিষয়টি সন্ধান করেন। উৎস সন্ধানের জন্য চিন প্রশাসনকে এর জন্য রাজি করানোর অত্যন্ত প্রয়োজন বলেও ব্যক্ত করেন হোটেজ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজ্যের কোন হাসপাতালে কত অক্সিজেন সিলিন্ডার, এবার জানা যাবে অনলাইনেই]

আরেক মার্কিন বিশেষজ্ঞ স্কল গটলেইবের কথায়, এই ভাইরাসের সূত্র খুঁজে বের করা গেলে আগামিদিনে এই প্রজাতির ভাইরাসকে রোখা সম্ভব হবে। এই ভাইরাস কোনও পশুর থেকে মানুষের দেহে সংক্রমিত হয়েছে কি না, তাও পরীক্ষা করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু এমন কোনও পশুর সন্ধান পাওয়া যায়নি বলেই জানাচ্ছেন তিনি। তাঁদের আশঙ্কা চিন কোনও তথ্য গোপন করতে গিয়ে বিশ্বে আরও বড় বিপদ না ডেকে আনে!

Advertisement

ইতিমধ্যেই কোভিডের সন্ধান পেতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে জো বাইডেন সরকার। তদন্তকারী বিশেষ দলকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ৯০ দিনের মধ্যে এ নিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। এরপরই দুই মার্কিন বিশেষজ্ঞের এহেন আশঙ্কা প্রকাশ নিঃসন্দেহে চিন্তা বাড়াল সাধারণ মানুষের।

[আরও পড়ুন: করোনার বিরুদ্ধে লড়াই আরও তীব্র, এবার ফাইজারের টিকা পেল বাংলাদেশ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.