সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুজো মানেই অনেক গল্প। মনের স্ক্রিনে স্মৃতিদের ভিড় করে আসা। কত কথা মনে পড়ে যায়। এমনই কিছু কথা সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে জানালেন শোলাঙ্কি রায় (Solanki Roy)। এবারের পুজোয় (Celebrity Der Durga Puja) কী করবেন? সেই প্ল্যান এখনও হয়নি অভিনেত্রীর। তবে ছোটবেলার পুজোর ‘স্বাধীনতা’র গল্প শোনালেন।

কোন স্বাধীনতার কথা বলছেন অভিনেত্রী? সেই স্বাধীনতা যা সারা বছর কড়া নিয়মে থাকার পর পুজোর কটা দিনে পাওয়া যেত। শোলাঙ্কির কথায়, “আগে স্বাধীনতা পাওয়ার একটা আলাদা আনন্দ ছিল কিন্তু এখন বড় হয়ে যাওয়ার পর তো আর বাড়ি থেকে আলাদা করে স্বাধীনতা পাওয়ার বিষয়টা থাকে না। সারা বছর একটা নিয়মে থাকা, তার পর ছাড় পাওয়া। যেহেতু নিয়মগুলো আর নেই, তাই ছাড় পাওয়ার আনন্দটাও আর নেই। এখন নিজেই নিজের অভিভাবক।”
পুজোয় বেড়াতে যাওয়া বড় মিস করেন শোলাঙ্কি। সেকথা জানিয়ে বলেন, “পুজোয় বেড়াতে যাওয়া আমার ছোটবেলার একটা বড় পার্ট ছিল। যেহেতু পুজোর ছুটিটা বেশ লম্বা পাওয়া যেত। একটা বেড়ানোর পালা গরমকালে, আরেকটা পুজোর সময়। সেটা এখন আর যাওয়া হয় না। কারণ পুজোর ঠিক গায়ে গায়ে এখন কাজ থাকে। আসলে কাজটা পুজোর আগেই বেশি থাকে। পরেও কিছুটা থাকে। স্বাভাবিকভাবেই এখন আর অত লম্বা সময় নিয়ে পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া হয় না। সেটা আমি একটু মিস করি।”
মায়ের কাছে কী চাইবে? অভিনেত্রীর জবাব, “মায়ের কাছের থেকে বেশি চাওয়া আমার সরকারের কাছে। মা তো রক্ষা করেন প্রতিসময়ে, কিন্তু এই যে সমাজটা তৈরি হয়েছে তাতে মেয়েরা দিন দিন দ্বিতীয়সারি থেকে পিছিয়ে তৃতীয়, চতুর্থসারিতে চলে যাচ্ছি, যেখানে ২০২৪ সালে দাঁড়িয়ে আমাদের সমানাধিকারের কথা বলতে হচ্ছে বার বার করে, এইটা যেন এবার ধীরে ধীরে পালটায়। নতুন জামার আনন্দ এখন আর খুব একটা নেই অভিনেত্রীর। সারা বছরই তো জামাকাপড় কেনা হয়। তবে পুজোর চারটে দিন শাড়ি পরতে চান তিনি। কারণ শাড়ি পরতে শোলাঙ্কি খুব ভালোবাসেন। পারলে চারদিনই শাড়ি পরে কাটিয়ে দেন।
সর্বশেষ খবর
-
সরকারি চাকরির প্রস্তুতিতে চার দশক, সমাবর্তনের মঞ্চে উজ্জ্বল রাইসের কৃতীরা
-
৫ জুনেই ৫৮ লক্ষ উদ্ধার, তারপরও কেন এফআইআর হয়নি? রাম মন্দিরের টাকা চুরিতে প্রশ্নের মুখে ট্রাস্ট
-
বীরের ঠোঁট কামড়ে রক্তারক্তি করেছেন কঙ্গনা! ‘চুমুকাণ্ড’ বিতর্কে মুখ খুললেন যুগলে
-
‘দেরি হলে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না’, রামমন্দিরে চুরির তদন্ত নিয়ে বলল সুপ্রিম কোর্ট
-
‘এটাই শেষ বক্তব্য’, হুমায়ুনের ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যে বিধানসভায় ‘সবক’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর