সুমন করাতি, হুগলি: অষ্টমীর সকালে চেনা মেজাজে ধরা দিলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্ধিপুজোয় মায়ের কাছে প্রার্থনা করতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন দাপুটে তৃণমূল নেতা। জানালেন, মা দুর্গার কাছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য আশীর্বাদ চেয়েছেন তিনি।
শ্রীরামপুর ৫ ও ৬-এর পল্লিগোষ্ঠী ও ব্যবসায়ী সমিতির পুজোর প্রধান পৃষ্ঠপোষক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্রীরামপুর স্টেশন সংলগ্ন আরএমএস মাঠে প্রতিবছরই ধুমধাম করে পুজোর আয়োজন করা হয়। এবছর কোনারকের সূর্য মন্দিরের আদলে তৈরি করা হয়েছে মণ্ডপ। অষ্টমীর সকালে সন্ধিপুজোয় সেখানেই ছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পুজোর মাঝেই কেঁদে ফেলেন তিনি। বলেন, “মা সবাইকে ভালো রাখুন। শান্তিতে রাখুন। সব ধর্মের মানুষকে ভাল রাখুক। ভালো সংস্কৃতি যেন তৈরি হয়।” এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য দেবীর আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন তিনি। বলেন, “দিদির প্রতি যেন মায়ের আশীর্বাদ থাকে। ২৬-এর নির্বাচনে যেন পশ্চিমবঙ্গের অসুরদের দিদি মারতে পারেন।”
এদিন বিজেপিকেও একহাত নেন কল্যাণ। বলেন, “বিজেপির কোনও সংস্কৃতি নেই। ওরা দুর্গা-কালী-জগন্নাথকে মানে না। ওরা তো সনাতনী না। সনাতনী কারা? সনাতনী তারাই, যারা ধর্মের আলোয় আলোকিত হয়ে সমস্ত ধর্মের মানুষকে, সমস্ত জাতির মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে চলতে পারে। মায়ের কাছে ছেলের কোনও বিভাজন নেই। সব মানুষ এক। কিন্তু বিজেপি এটাই বোঝে না।” এরপরই কল্যাণ বলেন, “গুজরাটের থিওরি পশ্চিমবঙ্গে চলবে না।”
সর্বশেষ খবর
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!
-
‘বেঁচে আছে তো?’ বেড়াতে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে নিঁখোজ কলকাতার ৬! উৎকণ্ঠায় পরিবার
-
মুহূর্তে ‘জলরাক্ষস’ গ্রাস করল স্ত্রী-পুত্রকে! নেপালের ব্যবসায়ীর দু’চোখে এখনও আতঙ্ক ও বিষাদ
-
ক্যামাক স্ট্রিটে ফের ঝুলল ‘বেআইনি’ হোর্ডিং! ‘যতদূর যেতে হয়, যাব’ পুলিশের সঙ্গে গাজোয়ারির পর হুঁশিয়ারি অভিষেকের
-
মহারাষ্ট্র পিএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ‘ফাঁস’! ব্যর্থ প্রেমকাহিনিতেই প্রকাশ্যে কেলেঙ্কারি