প্রথম পাতা খেলা দেশ বিদেশ ই-পেপার
Lagnajita Kaushiki

লগ্নজিতা কৌশিকীকে নিয়ে ‘অপূর্ব’ বাক্যরচনা, খুদের কীর্তিতে নস্ট্যালজিক গায়িকা

এক স্কুল পড়ুয়ার লেখনিতে ফুটে উঠল লগ্নজিতার প্রতি অগাধ প্রেম। দোসর সঙ্গীতশিল্পী কৌশিকি চক্রবর্তীও। সোশাল মিডিয়ায় সেই ছবি পোস্ট করে স্কুলজীবনের কোন স্মৃতি হাতড়ালেন লগ্নজিতা?

Advertisement ad
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ১৫:০৬

options
link
লগ্নজিতা কৌশিকীকে নিয়ে ‘অপূর্ব’ বাক্যরচনা, খুদের কীর্তিতে নস্ট্যালজিক গায়িকা zoom
লগ্নজিতা কৌশিকিকে নিয়ে 'অপূর্ব' বাক্যরচনা

সাল ২০১৪, সেই বছর বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছিল সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘চতুষ্কোণ’। এই ছবির অত্যন্ত ‘বসন্ত এসে গেছে’ গানটি গেয়ে রাতারাতি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন সঙ্গীতশিল্পী লগ্নজিতা চক্রবর্তী। এরপর একাধিক ছবির গানে লগ্নজিতার কণ্ঠের জাদু মুগ্ধ করেছে শ্রোতাদের। তেরো থেকে তিরাশি সকলেরই পছন্দর গায়িকা লগ্নজিতা। এবার এক স্কুল পড়ুয়ার লেখনিতে ফুটে উঠল লগ্নজিতার প্রতি অগাধ প্রেম। দোসর সঙ্গীতশিল্পী কৌশিকি চক্রবর্তীও। ‘অপূর্ব’ শব্দ দিয়ে বাক্যরচনায় ওই খুদে লিখেছে, ‘লগ্নজিতা চক্রবর্তী আর কৌশিকি চক্রবর্তী অপূর্ব গান গায়।’  খাতার সেই ছবি নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করে লগ্নজিতা প্রকাশ্যে এনেছেন ছোট্ট ভক্তের পরিচয়।

সে আরজে শ্রী অর্থাৎ শ্রী বসুর ছেলে স্রোত। তার এই বাক্যরচনা দেখে কেন বিন্দুমাত্র স্তম্ভিত হননি সেই ব্যাখ্যা দিয়ে লেখেন, ‘এই বাক্যরচনাটা স্রোতের লেখা। বেশ অবাক করা বাক্যরচনা! অবশ্য পরে ভেবে দেখলাম, অবাক হওয়ার কোনও কারণ নেই। কারণ স্রোত যাঁর ছেলে সে আমাদের স্কুলের সিনিয়র দিদি হিসেবে কী ধরনের ভাবনাচিন্তা এবং কী ধরনের যাপন করত সে তো আমরা জানিই। কাজেই তার ছেলে যে এমনই ভাববে, সেটা একেবারেই অবাক করার মতো বিষয় নয়।’

লগ্নজিতা-কৌশিকিকে নিয়ে খুদের বাক্যরচনা

কথায় বলে বাবা-মায়ের শিক্ষাতেই শিক্ষিত হয় সন্তানরা। তাঁদের ভাবমূর্তিরই প্রতিফলন ঘটে সন্তানের ব্যবহারে। সেই বিষয়টিকে সামনে রেখে লগ্নজিতার সংযোজন, ‘ছোটবেলা থেকে স্কুলের অ্যাসেম্বলি থেকে শুরু করে বড় বড় বার্ষিক অনুষ্ঠান, সব রকমের পরিসরে যেখানেই গানের প্রসঙ্গ এসেছে সেখানে যে কয়েকজন দাদা-দিদিকে আমরা দেখে অভ্যস্ত ছিলাম বা যাদের দেখে ভাবতাম এদের মতো গাইতে হবে, তাঁদের মধ্যে শ্রীতমাদি ছিল অন্যতম।’

কৌশিকি চক্রবর্তীর সঙ্গে নিজেকে একইস্থানে দেখে আপ্লুত লগ্নজিতার সংযোজন, ‘স্রোত নেহাতই ছোট, একেবারে অপাপবিদ্ধ। তাই ও কৌশিকীদি আর আমাকে একই পঙ্‌ক্তিতে রেখেছে। বড় হলে, আরও অনেক কিছুর মতো, স্রোত এটাও বুঝবে কৌশিকী চক্রবর্তী সবসময়ই এক নম্বরের পঙ্‌ক্তিতে। আমি তার পঞ্চাশ-ষাটতম পঙ্‌ক্তির পরেও যদি একটু বসার জায়গা পাই, তাতেই নিজেকে ধন্য মনে করব।’

স্রোতের এই বাক্য রচনায় ফিরেছে স্কুলজীবনের সেই রঙিন স্মৃতিমেদুর দিনগুলো। নস্ট্যালজিক লগ্নজিতা স্রোতকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন, ‘পাঠভবন আমাদের জীবনে ফিরে ফিরে আসে, স্রোতের এই বাক্যরচনাটা দিয়ে আবার মনে পড়ে গেল আমার স্কুল পাঠভবনকে, আমার সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরকে, আমার গানের শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরকে। মনে পড়ে গেল আমার স্কুলের বন্ধুবান্ধব আর দাদা দিদিদের, যাঁরা একদিন আমাকেও এমন মননে ভাবতে শিখিয়েছিল যা সম্বল করেই আজকের লগ্নজিতা দাঁড়িয়ে রয়েছে সকলের সামনে।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন