Ira Khan

জানুয়ারিতে মেয়ে ইরার বিয়ে, দিনক্ষণ ঠিক হতেই কেঁদে ভাসালেন আমির খান!

জামাইকে বিশেষ বার্তা আমিরের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২৩, ১৬:৪৯

options
link
জানুয়ারিতে মেয়ে ইরার বিয়ে, দিনক্ষণ ঠিক হতেই কেঁদে ভাসালেন আমির খান!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত বছর নভেম্বর মাসের ১৮ তারিখ বাবার জিম ইনস্ট্রাকটর নূপুর শিখরের সঙ্গে বাগদান পর্ব সারেন আমিরকন্য়া ইরা। তার পর ঠিক ছিল চলতি মাসের ৩ তারিখ বিয়ে করবেন। তবে সেই বিয়ের তারিখ বাতিল হয়। বরং ২০২৪ সালের জানুয়ারির ৩ তারিখই নূপুরের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়বেন ইরা। ইরা নিজেই সবাইকে জানিয়ে দিলেন তাঁর বিয়ের তারিখ। মেয়ের বিয়ের তারিখ ঠিক হতেই কেঁদে ভাসাচ্ছেন আমির খান। এবং সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আমির জানালেন, ‘মেয়ের বিয়ের দিন খুব কাঁদব।’

Advertisement

সাক্ষাৎকারে আমির আরও জানিয়েছেন, ”আমার কথাগুলো হয়তো সিনেমার সংলাপের মতো শোনাবে। নূপুর আমার শুধু জামাই নয়, আমার ছেলেই। ইরা যে সময় অবসাদের সঙ্গে লড়াই করছিল, সেই সময় প্রতিটা মুহূর্তে মেয়েকে সঙ্গ দিয়েছে। আর ওঁরা দুজনে একে অপরের সঙ্গে খুশি, সেটাই আমার কাছে যথেষ্ট।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘এক রাতেই সব পালটে গেল…’, ইজরায়েলের বিভীষিকাময় দিনের কথা নুসরতের মুখে]

প্রসঙ্গত, গত ৪ বছর ধরে মনোবিদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন হতাশাগ্রস্ত ইরা খান। নিজের ডিপ্রেশনের কথা কখনওই লুকোননি আমির খানের (Aamir Khan) মেয়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় আগেও নিজের মনের কথা অনুরাগীদের খুলে বলেছেন তিনি। এবার তিনি জানালেন, তাঁর এই হতাশাগ্রস্ত হওয়ার পিছনে ঠিক কী কী কারণ রয়েছে বলে তাঁর মনে হয়। আর সেই প্রসঙ্গেই ১৪ বছর বয়সে নিজের শ্লীলতাহানি হওয়ার কথাও জানান তারকাকন্যা।

Advertisement

ইরা বলেছিলেন, “প্রায় এক বছর পর জানতে পেরেছিলাম ওরা ইচ্ছাকৃতভাবেই আমার সঙ্গে এমন আচরণ করেছিল। কারণ ওরা আমার শ্লীলতাহানিই করতে চেয়েছিল। এই পরিস্থিতি থেকে বেরতে আমি সঙ্গে সঙ্গে মা-বাবাকে ই-মেল মারফত সব জানাই।” কে বা কারা তাঁর শ্লীলতাহানি করেছিল, সে বিষয়ে যদিও বিস্তারিত বলেননি তিনি। তবে ওই সব দিনগুলি কাটিয়ে জীবনে এগিয়ে গিয়েছেন বলেই জানান ইরা।

[আরও পড়ুন: রণবীরের ‘রামায়ণ’-এ হনুমান সানি দেওল! ‘গদর ২’র সাফল্যের পরই বড় চমক]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.