Abhishek Banerjee

‘মানুষের কথা ভেবে কাজ হয়েছে’, ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ সিনেমার স্ক্রিপ্ট নিয়ে অভিষেকের সঙ্গেও আলোচনা রাজের

রাজ পরিচালিত 'লক্ষ্মী এলো ঘরে' শর্টফিল্ম দেখে আপ্লুত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কী জানালেন?

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ২৩:৫৫

options
link
‘মানুষের কথা ভেবে কাজ হয়েছে’, ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ সিনেমার স্ক্রিপ্ট নিয়ে অভিষেকের সঙ্গেও আলোচনা রাজের
'লক্ষ্মী এলো ঘরে' ছবির প্রিমিয়ারে রাজ ও শুভশ্রীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র

বুধবার নন্দনে রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ ছবির স্ক্রিনিং হল। যেখানে টলিউডের একাধিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সেই স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। খবর, এই ছবিতে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো রাজ্যের একাধিক প্রকল্পে কীভাবে আমজনতা উপকৃত হচ্ছেন, সেই গল্পই তুলে ধরা হয়েছে। এযাবৎকাল এই ছবি নিয়ে কোনওরকম তথ্য ভাগ করেননি পরিচালক। নীরবেই শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় ও অঙ্কুশকে নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার সিনেমাটি তৈরি করেছেন। এবার নন্দনের স্ক্রিনিংয়ে সিনেমা তৈরির নেপথ্য কাহিনি ভাগ করে নিলেন বিধায়ক-পরিচালক।

Advertisement

রাজ বলছেন, ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ শর্টফিল্মে রাজ্য সরকারের কাজের কোনও ডকুমেন্টেশন নেই। দ্রুত এই কাজটা করতে হয়েছে। ১৫ দিনের মধ্যে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বারবার কথা হয়েছে, উনি স্ক্রিপ্ট শুনেছেন। সবাই একসঙ্গে কাজ করেছি। মানুষের কথা ভেবে কাজ হয়েছে।” এদিকে ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ দেখে আপ্লুত অভিষেকও। স্ত্রিনিংয়ে উপস্থিত হয়ে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের মন্তব্য, “সরকারের দায়দায়িত্ব এবং কর্তব্য আমাদের সকলের। সরকার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কী কাজ করেছে সেটা তুলে ধরা দরকার। এর আগে একুশে বঙ্গধ্বনি যাত্রা হয়েছে। তার পর ১৫ বছরের কাজ আমরা তুলে ধরছি। নানা উন্নয়নের কথা গ্রামে গ্রামে বলছি। ৯৭-৯৮ টা স্কিম রয়েছে। তার মধ্যে এখানে ৭-৮ টার কথা বলা হয়েছে। মানুষের কাছে এটা তুলে ধরতে আর যা যা করার করব। এখানে লক্ষীর ভাণ্ডারের রোল যেমন অনেকে জানেই না, কী ধরনের স্কিম দরকার দেয়। এগুলো আমি নিজে নবজোয়ার যাত্রায় গিয়ে দেখেছি। এই স্কিম মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে।”

Advertisement

রাজ্য সরকারের আবাস যোজনা প্রসঙ্গ টেনে অভিষেকের সংযোজন, “আমরা কেন্দ্রের তরফে কোনও সহযোগিতা পাইনি গত ৫ বছরে। দিল্লির সরকার ভাতে মারতে চেয়েছিল। কিন্তু যে আমার পাতে ভাত দেয়, সে আমার মাথায় ছাদের ব্যবস্থা করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেটা করে দেখিয়েছে। এখানে রাজনীতি নেই। কেউ অন্য দলের সদস্য হতে পারেন। কিন্তু অর্থনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়েও বাংলা যে কাজ, যে উন্নয়নের ছোঁয়া দিয়েছে সেটা অন্য কোথাও হয়নি। মানুষকে এগুলো বোঝান। বাংলার উপর এত বঞ্চনা!” এরপরই ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’র স্ক্রিনিংয়ে এসআইআর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মোদি সরকারকে তোপ দেগে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের মন্তব্য, “এসআইআর চলছে। ৭৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আমরা SIR বিরোধী নই, তবে আমরা অপরিকল্পিত SIR-এর বিরুদ্ধে।” শেষপাতে ছবির কলাকুশলীদের ধন্যবাদ জানাতেও ভোলেননি তিনি। বলেন, “যারা কাজ করেছে সকলের সঙ্গে দেখা হলে ভালো হত। সকলের সঙ্গে দেখা করব, ধন্যবাদ জানাব।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.