সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাগ যেন তাঁর নাকের উপরেই থাকে। কারণে-অকারণে তা চোখেমুখে বিরক্তি হয়ে চলে আসে। বিশেষ করে পাপারাজ্জি দেখলে। আবারও রেগে গেলেন জয়া বচ্চন (Jaya Bachchan)। এবার আমিরকন্যা ইরা ও নূপুর শিকরের রিসেপশনে (Ira-Nupur Reception)।

মেয়ে শ্বেতা ও সোনালি বেন্দ্রের সঙ্গে রিসেপশনে এসেছিলেন জয়া। প্রথমে হাসিমুখেই ছিলেন তিনি। কিন্তু তার পরই স্বমহিমায় দেখা যায় অমিতাভজায়াকে। প্রথমে শ্বেতা-সোনালিকে ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে যান। মায়ের জন্য যেন জায়গা বদল করতে বাধ্য হন শ্বেতা। তার পর সোনালিও চলে আসেন। এর মধ্যেই ফটোশিকারিরা জয়াকে বিভিন্ন দিকে তাকাতে বলেন যাতে প্রত্যেকেই ভালো ছবি পান। ব্যস এতেই জয়ার মেজাজ যায় বিগড়ে। বলে বসেন, “কারা তোমরা?”
[আরও পড়ুন: ‘একটা গোলাপ কিনে দাও’, যশের কাছে আদুরে আবদার নুসরতের, কী করলেন অভিনেতা?]
পাপারাজ্জি যেন তাঁকে ছবির ‘অ্যাঙ্গেল’ না শেখায়, এমন কথাও বলেন জয়া। বর্ষীয়ান অভিনেত্রী বা রাজনীতিবিদের এমন ব্যবহার নতুন নয়। বিমানবন্দর হোক বা কোনও অনুষ্ঠান, একটু কিছু হলেই বিরক্ত হন তিনি। নতুন এই ভিডিও দেখে একজন কমেন্টবক্সে লেখেন, “ইনি তো সবসময়ই রেগে থাকেন, এত টাকা থাকা সত্ত্বেও। ওঁর মেডিটেশন প্রয়োজন।” বাড়ির হতাশা অভিনেত্রী বাইরে এসে জাহির করছেন, এমন মন্তব্যও করা হয়।
View this post on Instagram
প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন ধরে বচ্চন পরিবারের ভাঙনের জল্পনা শোনা যাচ্ছে। শাশুড়ি জয়া বচ্চনের সঙ্গে নাকি বউমা ঐশ্বর্যর (Aishwarya Rai Bachchan) মোটেই বনিবনা হয় না। এদিকে অমিতাভ নিজের একটি বাংলো মেয়ে শ্বেতার নামে লিখে দিয়েছেন। শোনা গিয়েছে, মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে এখন বাপের বাড়িতেই থাকছেন ঐশ্বর্য। যদিও প্রো কবাডি লিগে অভিষেক, ঐশ্বর্য, আরাধ্যার সঙ্গে দর্শকাসনে অমিতাভ বচ্চনকে দেখা গিয়েছে।
[আরও পড়ুন: আমিরকন্যা ইরার রিসেপশনে শাহরুখ-সলমন, আর কারা নজর কাড়লেন?]
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের
-
জুলাই গণহত্যা মামলায় ঢাকার প্রাক্তন কমিশনার-সহ ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক