সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথমে পল্লবী দে। তারপর বিদিশা আর মঞ্জুষা। পরপর অভিনেত্রী, মডেলের অস্বাভাবিক মৃত্যু। বঞ্চনার শিকার হয়েই আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন গ্ল্যামার জগতের তরুণ সদস্যরা। এমনটাই মনে করছেন অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় (Bhaswar Chatterjee)।

গড়ফার ফ্ল্যাট থেকে অভিনেত্রী পল্লবী দের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তার কিছুদিন পরই নাগেরবাজারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় উঠতি মডেল বিদিশা দে মজুমদারের (Bidisha De Majumder) ঝুলন্ত দেহ। গত শুক্রবার সকালে পাটুলির বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় অভিনেত্রী-মডেল মঞ্জুষা নিয়োগীর (Manjush Neogi) দেহ। মঞ্জুষা আবার বিদিশার ভাল বন্ধু ছিলেন। পরপর এমন ঘটনায় ভারাক্রান্ত ভাস্বর। ফেসবুকে দীর্ঘ বিবৃতির মাধ্যমে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন অভিনেতা।

[আরও পড়ুন: মাদক মামলায় ফাঁসানো হয়েছে আরিয়ানকে! বিশেষ তদন্তকারী দলের রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য]
নিজের পোস্টে ভাস্বর লেখেন, “এদের অনেকের সাথেই আমরা কাজ করি, চেহারা মনে থাকে না। এক সিন দু’সিনের ছোট রোল করতে আসেন। চোখে অনেক স্বপ্ন কিন্তু বাস্তব এর মাটিতে পা দিয়েই বোঝেন কত সংগ্রাম এখানে। কেউ কারও জন্য এক ইঞ্চি জমি ছাড়ে না। অনেকেই বাড়ি ছেড়ে কলকাতায় থাকেন, সেখান থেকে বদসঙ্গে, নেশা, একাকীত্ব, ভুল পথে পা বাড়ানো”
এরপরই নিজের কিছু অভিজ্ঞতা জানান ভাস্বর। জানান, কীভাবে এক তরুণী সরকারি চাকরি ছেড়ে টলিউডে নায়িকা হতে এসেছিলেন। পরে তাঁকে খ্যাতি পেতে আপস করতে হয়েছিল। নায়ক হওয়ার জন্য এক প্রতারককে সাত লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন এক যুবক। এক মহিলা সিনেমা তৈরি করার জন্য নিজের বাড়ি পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু সে সিনেমা রিলিজ করতে পারেননি বলেই জানান ভাস্বর। আক্ষেপ করে অভিনেতা লেখেন, “যারা সরে যেতে পারছে না তারা অবসাদে ভুগছে, আত্মহত্যা করছে কারণ তারা নানা বঞ্চনার শিকার।”
[আরও পড়ুন: সার্থক নামকরণ! একেবারেই ভয় দেখায় না ‘ভয় পেও না’ ছবিটি, পড়ুন রিভিউ]
সর্বশেষ খবর
-
৩ বছরের শিশুর শ্বাসনালীতে আলপিন! জটিল অস্ত্রোপচারে প্রাণ ফেরাল বর্ধমান মেডিক্যাল
-
১৬ বছর ধরে সবই অন্ধকার, অসাধ্যসাধন বর্ধমান মেডিক্যালের! ডান চোখের দৃষ্টি ফিরে পেলেন বৃদ্ধা
-
নামেই ‘বন্ধু’, পাকিস্তানের আপত্তিতে ইউরেনিয়াম পেল না বাংলাদেশ, মুখোশ খুলল ইসলামাবাদের!
-
৭৭ দিন পর জেল থেকে ফিরেই হামলার মুখে তৃণমূল কাউন্সিলর! চাঞ্চল্য বারাসতে
-
পাক বর্বরতায় রক্তাক্ত বালোচিস্তান! ‘হিন্দুস্তান, আমাদের বাঁচান’, বুক ফাটা আর্তনাদ বালোচ কিশোরীর