হিমালয়ে হাহাকার
Kharaj Mukherjee

শুটিংয়ে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে আটকে সস্ত্রীক খরাজ, কেমন আছেন অভিনেতা?

নেপালে মহাপ্রলয়ে ক্রমশ বাড়ছে প্রাণহানির সংখ্যা।

Advertisement
শম্পালী মৌলিক
শম্পালী মৌলিক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ২২:৩৯

options
link
শুটিংয়ে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে আটকে সস্ত্রীক খরাজ, কেমন আছেন অভিনেতা?
(বাঁদিকে) বিধ্বস্ত নেপাল এবং (ডানদিকে) অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায়

নেপালে শুটিং করতে গিয়ে বিপাকে অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী-ও। হড়পা বানে বিধ্বস্ত নেপালে আটকে পড়েছেন দু’জনে। তবে তাঁরা দুর্ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছুটা দূরে রয়েছেন। দু’জনেই সুস্থ রয়েছেন বলেই জানান খরাজপুত্র বিহু।

Advertisement

খরাজপুত্র বলেন, “পোখরায় শুটিং চলছিল। তবে বৃষ্টির জন্য মাঝে মাঝেই বাধাপ্রাপ্ত হয়। বর্তমানে বাবা-মা দু’জনেই পোখরায় রয়েছেন। অন্যান্য় কলাকুশলীরাও সেখানেই রয়েছেন। সকলেই ঠিক আছেন। দুর্ঘটনাস্থল থেকে অনেকটাই দূরে রয়েছেন।” তিনি আরও জানান, সস্ত্রীক খরাজ এবং কলাকুশলীরা উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর দিয়ে ফিরছেন। তবে আবহাওয়ার জেরে বিমান পরিষেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে বলেও জানান বিহু।

Advertisement

উল্লেখ্য, প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বিপর্যয়ের সূত্রপাত চিনের তিব্বতে। সেখান থেকে বন্যার জল প্রবেশ করে নেপালের রসুয়া জেলায়। কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১২৫ কিমি দূরে অবস্থিত এই জেলার উপর দিয়েই বয়ে গিয়েছে ভোটেকোশী নদী। বুধবার সকাল থেকেই আচমকা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এরপরই চিন সীমান্তবর্তী ওই জেলায় হড়পা বান নামে। আকস্মিক বন্যার জেরে রীতিমতো ধ্বংসযজ্ঞ চলে রসুয়া জেলায়। চিনের সংবাদ সংস্থা ‘সিনহুয়া’র খবর অনুযায়ী, হড়পা বানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিব্বতের গাইরং প্রদেশ-সহ বহু এলাকা। সেখানেও হতাহতের সংখ্যা বহু। হড়পা বানের কারণ নিয়ে নানা মত উঠে আসছে। নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগ জানিয়েছে, রসুয়ায় ভারী বৃষ্টির জেরে এই বিপর্যয় ঘটেছে, এমন সম্ভাবনা কম। ফলে তিব্বত থেকে জল নেমে আসার বিষয়টিই প্রকট।

Advertisement

পাশাপাশি, হিমবাহের জলাধার ভাঙা বা ‘গ্লেসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড’-এর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নেপাল পর্যটন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বন্যাদুর্গত এলাকা থেকে অন্তত ৩৮৪ জন পর্যটক নিখোঁজ। তাঁদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদেশিদের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। অন্যদিকে, রাসুয়া জেলায় নেপাল পুলিশের অন্তত ২৬ জন আধিকারিক এখনও নিখোঁজ। পাশাপাশি, খোঁজ মিলছে না নেপালি আধাসেনার কমপক্ষে ৭ জওয়ানেরও। নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুগলিন এলাকা-সহ ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নেপাল প্রশাসন। প্রতিবেশী দেশে দুর্যোগের মৃতদের প্রতি শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফোন করে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.