সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় পঞ্চাশ বছরে তাঁরা বিবাহিত। যেন গোটা একটা জীবন একসঙ্গে রয়েছেন। বলিউডের পাওয়ার কাপল অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan) এবং জয়া বচ্চন (Jaya Bachchan)। এতদিনে নিজেদের বিয়ের সম্পর্কে এক গোপন তথ্য ফাঁস করলেন জয়া। জানালেন, বিয়ের সময় একটি বিশেষ শর্ত দিয়েছিলেন অমিতাভ।

‘হোয়াট দ্য হেল নভ্যা’ (What The Hell Navya) নামের পডকাস্ট রয়েছে অমিতাভ বচ্চনের নাতনি নভ্যা নভেলির। সেখানে ‘মর্ডান লাভ: রোম্যান্স অ্যান্ড রিগ্রেটস’ নিয়ে আলোচনা চক্রের আয়োজন করা হয়েছিল। যাতে নভ্যার সঙ্গে যোগ দেন তাঁর মা শ্বেতা বচ্চন নন্দা এবং দিদিমা জয়া বচ্চন। নাতনির সঙ্গে কথোপকথনের সময়ই বিয়ের কথা জানান বর্ষীয়ান অভিনেত্রী।
[আরও পড়ুন: কঙ্গনা রানাউতকে বিজেপিতে স্বাগত জানালেন নাড্ডা, বেঁধে দিলেন শর্ত]
১৯৭৩ সালের ৩ জুন অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন জয়া। তার আগে একটিই শর্ত দিয়েছিলেন বিগ বি। হবু স্ত্রীকে জানিয়ে দিয়েছিলেন, ন’টা-পাঁচটার কাজ করা বউ তাঁর চাই না। জয়া প্রতিদিন কাজ করুন, এটাও তিনি চাননি। চেয়েছিলেন, ভাল মানুষদের সঙ্গেই জয়া ভাল কিছু কাজ করুন। প্রয়োজনে নয়, নিজের পছন্দ অনুযায়ী যেন বাছা কিছু সিনেমায় কাজ করেন অভিনেত্রী।

আগামী বছরের জুন মাসেই অমিতাভ-জয়ার বিয়ের পঞ্চাশ বছরের সেলিব্রেশন। তবে জুন মাসে নয় ১৯৭৩ সালের অক্টোবর মাসে বিয়ে করার পরিকল্পনা ছিল দুই তারকার। কারণ সেই সময় দু’জনের কাজের চাপ কম থাকার কথা ছিল। তাহলে কেন জুনে বিয়ে করলেন? শোনা যায়, ‘জঞ্জির’ সিনেমার সাফল্যের পর একসঙ্গে বিদেশে বেড়াতে যেতে চেয়েছিলেন অমিতাভ ও জয়া। তবে বিগ বি মা ও বাবা এতে রাজি ছিলেন না। বিয়ে করেই তাঁদের বিদেশ যেতে হবে, এমন শর্তই দিয়েছিলেন তাঁরা। সেই কারণেই জুন মাসের ৩ তারিখ বিয়ে সারেন অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চন।
[আরও পড়ুন: হাত দিয়ে স্তন ঢেকে ভিডিও পোস্ট উরফির, ক্যাপশনে কেন টুইটার কর্তার নাম?]
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’