Celina Jaitly

সেলিনা যখন সিস্টার নিবেদিতা, বাঙালি পরিচালকের নির্দেশনায় বলিউডে প্রত্যাবর্তন

দীর্ঘ ছ'বছরের লম্বা বিরতি কাটিয়ে বড় পর্দায় প্রত্যাবর্তন অভিনেত্রী সেলিনা জেটলির। প্রকাশ্যে সিস্টার নিবেদিতার লুক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৯:৩৫

options
link
সেলিনা যখন সিস্টার নিবেদিতা, বাঙালি পরিচালকের নির্দেশনায় বলিউডে প্রত্যাবর্তন
সিনেপর্দায় সেলিনার গ্র্যান্ড কামব্যাক

সাল ২০১১, সেই বছর মুক্তি পেয়েছিল সেলিনা জেটলি অভিনীত পূর্ণদৈর্ঘ্যে চলচ্চিত্র ‘থ্যাঙ্ক ইউ’। এরপর ২০২০-তে রামকমল মুখোপাধ্যায়ের স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি ‘সিজনস গ্রিটিংস’-এ অভিনয় করেছিলেন। এরপর আর বড় পর্দায় দেখা যায়নি সেলিনাকে। দীর্ঘ ছ’বছরের লম্বা বিরতি কাটিয়ে বলিউডে প্রত্যাবর্তন অভিনেত্রী সেলিনা জেটলির। সেই বাঙালি পরিচালক রামকমলের হাত ধরেই লইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের দুনিয়ায় কামব্যাক। সিস্টার ভগিনী নিবেদিতার চরিত্রে দর্শকের দরবারে ধরা দেবেন সেলিনা। ইতমধ্যেই প্রকাশ্যে সিস্টার নিবেদিতা রূপে অভিনেত্রীর লুক।

Advertisement

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে কাজে ফেরার আনন্দ, ফের রাম কমলের সঙ্গে কাজের সুযোগ নিয়ে মুখ খুলেছেন সেলিনা। বিদেশি স্বামী পিটার হগের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ মামলা চলছে বলি অভিনেত্রীর। তৈরি হয়েছে আইনি জটিলতা। এর মাঝেই নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছেন সেলিনা, তা বললে অত্যুক্তি হবে না। ভগিনী নিবেদিতার চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে আপ্লুত সেলিনা। এই চরিত্রটিকে ‘ব্যক্তিগত জার্নি’ বলে উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Celina Jaitly Hits Back At Peter Haag Father In Law Defamation Threats
সিনেপর্দায় ফিরছেন সেলিনা

সেই সাক্ষাৎকারে পরিচালকের প্রশংসা করে সেলিনা বলেন, “রামের মতো দূরদৃষ্টিসম্পন্ন একজন পরিচালকের সঙ্গে কাজ করা আমার জন্য সম্পূর্ণ আলাদা একটা অভিজ্ঞতা । ওঁর মতো পরিচালকের সঙ্গে কাজ করতে গেলে শুধু চরিত্রের অভিনয় করলেই হয় না। সেই সময়ের জন্য চরিত্রটিকে নিজের মধ্যে ধারণ করতে হয়।”

Advertisement
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Celina Jaitly (@celinajaitlyofficial)

ভগিনী নিবেদিতার সঙ্গে অদ্ভুতভাবে জড়িয়ে সেলিনার জীবন। মেয়েবেলার স্মৃতিচারণ করে বলেন, “আমার বাবা পশ্চিমবঙ্গের বিনাগুড়িতে কর্মরত ছিলেন। ছোটবেলায় বাবা-মায়ের সঙ্গে সেনাবাহিনীর কনভয়ে করে আমরা প্রায়ই দার্জিলিং যেতাম। পথে রয় ভিলায় থামতাম। যেখানে ভগিনী নিবেদিতা জীবনের শেষ দিনগুলো কাটিয়েছিলেন। বাবা-মা সেখানে হাঁটতেন আর সেনা কনভয়ের সদস্যরাও প্রকৃতির সেই অপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করতেন। পুরনো দিনগুলোতে ফিরে তাকালে মনে হয়, ওই জায়গাটা আমার মনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।”

সেলিনা যখন সিস্টার নিবেদিতা

তিনি আরও বলেন, “আমার মা-ই প্রথম ভগিনী নিবেদিতার জীবন ও কর্মের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তখন কল্পনাও করিনি একদিন আমিই তাঁর চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাব। আজ মনে হচ্ছে, হয়তো ভগিনী নিবেদিতাই সেসময় কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে পড়া ছোট্ট মেয়েটিকে নিজের কাছে আহ্বান জানাচ্ছিলেন।”

Two legal notices issued to Celina Jaitly by Peter Haag and his father over defamatory claims
স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ মামলা

জীবনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে এই চরিত্রের যোগসূত্র ব্যাখ্যা করে বলেন, “জীবন এমনভাবেই নানা বিন্দুকে একসূত্রে গেঁথে দেয়। যার অর্থ আমরা অনেক পরে বুঝতে পারি। ইউরোপে পনেরো বছর কাটানোর পর ভারতে ফিরে নিজের শিকড়, সনাতন ধর্ম এবং একজন অভিনেত্রী ও মানুষ হিসেবে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছি।”

আরও যোগ করেন,  “একটি কথা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করে, মা কালী তোমাকে শাস্তি দেওয়ার জন্য ভেঙে দেন না। তিনি তোমাকে সম্পূর্ণ নতুন করে গড়ে তোলার জন্যই ভেঙে দেন।” সেলিনার কথায়, “ভগিনী নিবেদিতার চরিত্রে অভিনয় আমার কাছে শুধু একটি ভূমিকা নয়, যেন এক অন্তরের আহ্বানে সাড়া দেওয়া।”

Celina Jaitly pens emotional note on Mother's Day
সেলিনা জেটলি

ভগিনী নিবেদিতার কোন দিকটি তাঁকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করে? এই প্রশ্নের উত্তরে সেলিনা বলেন, আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে এই সত্যটি যে, তিনি ভারতের মাটিতে জন্মগ্রহণ না করেও এদেশের জন্য নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করেছিলেন। তিনি শুধু ভারতকে ভালোবাসেননি, ভারতের জন্যই বেঁচেছিলেন। একজন নারী হিসেবে তাঁর সাহস আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে, বিশেষ করে জীবনের সাম্প্রতিক ব্যক্তিগত সংগ্রামের সময়।”

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Celina Jaitly (@celinajaitlyofficial)

আবেগে ভেসে বলেন, “নারীশিক্ষার প্রসারের কাজ করেছেন, মহামারির সময় নিরলসভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারাকে সমর্থন করেছেন এবং বিশ্বাস করতেন যে নারীর ক্ষমতায়নই একটি শক্তিশালী জাতি গঠনের অন্যতম ভিত্তি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.