চলতি বছরের শুরুতে আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিলেন গায়িকা তথা ইনফ্লুয়েন্সার দেবলীনা নন্দী। তারপর পেরিয়েছে কয়েকমাস। স্বামীর সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে শতযোজন। এখন আর একসঙ্গে থাকছেন না তাঁরা। এখন স্বামীর স্মৃতি ভোলার চেষ্টায় গায়িকা। সোশাল মিডিয়ায় মনের কথা প্রকাশ করে তিনি লিখলেন, ‘আমরা সহজেই ভালোবেসে ফেলি কিন্তু ভালোবাসার আগে কীভাবে যাচাই করতে হয় যে মানুষটা আদেও আমাদের ভালোবাসার যোগ্য কিনা!’
আরও পড়ুন:

সোশাল মিডিয়ায় ঠিক কী লিখেছেন দেবলীনা? দীর্ঘ পোস্টের মনের ভিতরটা যে ঝড়় তোলপাড় করে দিচ্ছে তা বুঝিয়েছেন তিনি। লিখেছেন, ‘পরিবর্তন, হ্যাঁ পরিবর্তন নিয়মিত ঘটে চলেছে। কিছু পরিবর্তন ভালো, আবার কিছু পরিবর্তন খুবই কষ্টদায়ক। একটা সময় কারও জন্য তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার তাড়া থাকত। এখন আর সেই তাড়া নেই। একটা সময় কারও জন্য বাড়ি ফেরার সময় হাতে করে কিছু নিয়ে ফিরতাম। ভালো লাগতো সেই মুখের হাসি এখন আর সেসব ইচ্ছা নেই বা দরকার ও পরে না। একটা সময় কারও জন্য রাত জেগে থাকতাম বা বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় থাকতাম এখন অপেক্ষার কোনও কারণ নেই। একটা সময় সারা দুনিয়ার মানুষ যদি আমার সাজগোজের প্রশংসা করতো আমি একজনের প্রশংসার দিকেই তাকিয়ে থাকতাম, এখন সে সব অতীত।’

এরপরই তিনি লেখেন, ‘আমরা মানুষকে ভালোবেসে ফেলি কিন্তু ভালোবাসার আগে কীভাবে যাচাই করতে হয় যে মানুষটা আদৌও আমাদের ভালোবাসার যোগ্য কিনা? সে আদৌও আমাদের ভালোবাসাকে সন্মান করে কিনা? এটা বুঝতে ভুল হয়ে যায়। কখনও বুঝেও বুঝি না, উলটে নিজের মনকে বোঝাই।’ সেই পোস্টেই অতীত ভুলতে চেয়ে দেবলীনা লিখেছেন, ‘জীবনে প্রচুর খারাপ স্মৃতিকে ভালো বানিয়েছি। কিন্তু কিছু স্মৃতি মুছে গেলেই ভালো হতো।’ অর্থাৎ বুঝিয়ে দিলেন, আর ফিরে যাওয়ার পথ নেই। এখন প্রবাহপর্বকে মুছে ফেলার চেষ্টায় গায়িকা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
চাপের মুখে ভারতের সাহায্য নিতে রাজি নেপাল, আটকে পড়া ভারতীয়দের হাল-হকিকত জানাল দিল্লি
-
‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল ছেড়ে প্রথম কর্মসূচিতেই তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা কাকলির
-
‘ককরোচ’-সহ পড়ুয়াদের আন্দোলনই ‘টার্নিং পয়েন্ট’, সিপিএমের প্লেনামে নতুন পথের হদিশ
-
চালকের অশ্লীল স্পর্শ! চলন্ত অটো থেকে লাফিয়ে সম্ভ্রম বাঁচালেন তরুণী
-
‘কেন এরকম করল?’ বিশ্বকাপ জিতিয়েও বাদ, বোর্ডের সিদ্ধান্তে অবসরের কথাও ভাবেন হতাশ সূর্য