Hina Khan

কেমোর পর মুঠো মুঠো চুল উঠছে হিনার! বাধ্য হয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন অভিনেত্রী

সোশাল মিডিয়ায় ভিডিও শেয়ার করে কী লিখলেন হিনা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৪, ১৬:০৩

options
link
কেমোর পর মুঠো মুঠো চুল উঠছে হিনার! বাধ্য হয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন অভিনেত্রী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক কোমর চুল ছিল হিনার খানের। তাঁর বড্ড প্রিয়ও ছিল। কিন্তু কেমো নেওয়ার কারণে সেই চুল কেটে একেবারে ছোট করে ফেলেছিলেন। তাতেও রক্ষা নেই। রোজই মুঠো মুঠো চুল উঠছিল হিনা খানের। বালিশের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছিল! তাই আর উপায় না পেয়ে, বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন হিনা। নিজে হাতেই গোটা মাথার চুল কামিয়ে ফেললেন অভিনেত্রী। আর সেই ভিডিওই সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন হিনা খান।

Advertisement

জীবনের গল্প সিনেমাকেও হার মানায়। যেকোনও মুহূর্তে বিপর্যয় ঘটতে পারে। এমনই এক বিপর্যয় হিনা খানের (Hina Khan) জীবনে নেমে এসেছে। স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত অভিনেত্রী। স্টেজ ৩। পুরো পৃথিবীটাই যেন ওলট-পালট হয়ে গিয়েছে হিনার। এক মুহূর্তে সমস্ত গ্ল্যামার শেষ! হাসপাতালের বিছানায় শুরু কঠিন লড়াই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিবাদী আইরা, মেয়ের শিক্ষা নিয়ে তাহসান-মিথিলাকে বিশেষ বার্তা ‘আব্বু’ সৃজিতের]

হিনা খান সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে লিখেছিলেন, “আমাদের এই গল্পের শেষ নেই! লড়াই যতই কঠিন হোক না কেন, যে যোদ্ধা তাঁর জীবনে চমৎকার হবেই হবে। আল্লার উপরই ছেড়ে দিলাম সব।” তবে শুধু অভিনেত্রীর পোস্টই নয়! এরমাঝেই ভাইরাল হয়ে যায় এক ডাক্তারের এক্স হ্যান্ডেল পোস্ট। যেখানে ওই চিকিৎসক সাফ জানিয়েছেন, “এক জনপ্রিয় অভিনেত্রী তথা সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার থাইরয়েড ক্যানসারে আক্রান্ত। তিনি হাসপাতালেও এসেছিলেন। তবে জীবনেও ভাবিনি ওই তারকার এমন মারণ রোগে আক্রান্ত হবেন।” সেই পোস্ট থেকেই দুয়ে দুয়ে চার করেছিলেন অনেকে। এবার অভিনেত্রীর তরফে অফিশিয়াল বিবৃতি এল।

Advertisement
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by (@realhinakhan)

হিনা লিখেছিলেন, পুরস্কার নিয়েই তিনি সোজা হাসপাতালে চলে গিয়েছিলেন প্রথম কেমোথেরাপির জন্য। অভিনেত্রীর কথায়, “আমরা যা বিশ্বাস করি তাই হয়ে উঠতে পারি আর আমি নিজেকে নতুনভাবে উদ্ভাবনের সুযোগ হিসাবে এই চ্যালেঞ্জ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর জন্য আমার আমার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ইতিবাচক চিন্তা। আমি অত্যন্ত স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করছি। আর যা হবে তার জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখছি। আমার কাছে ..আমার কাজের প্রতিশ্রুতি গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ আমার অনুপ্রেরণা, আবেগ এবং শিল্পীসত্তা। আমি হার মানব না। “

[আরও পড়ুন: হাজার কোটির দুর্নীতিতে ED ছুটছে পিছনে! ৩ কোটির গাড়ি কিনে ‘দেখনদারি’ রাজ-শিল্পার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.