Javed Akhtar

‘বাপ-ঠাকুরদা ইংরেজদের জুতো চাটত’, পাকিস্তানে স্বাধীনতা উদযাপনের কথা শুনেই ঝাঁজালো জাভেদ

নেটিজেনের খোঁটা শুনেই কড়া পাঠ প্রবীণ গীতিকারের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৫, ১৭:১২

options
link
‘বাপ-ঠাকুরদা ইংরেজদের জুতো চাটত’, পাকিস্তানে স্বাধীনতা উদযাপনের কথা শুনেই ঝাঁজালো জাভেদ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাঁচ দশকের ফিল্মি কেরিয়ারে জাভেদ আখতার তাঁর বলিষ্ঠ মতামতের জন্য একাধিকবার সংবাদের শিরোনামে এসেছেন। কখনও বা আবার স্পষ্ট কথা বলার জন্য, কখনও বা আবার পদবীর জেরে ‘দেশদ্রোহী’ কটাক্ষের সম্মুখীন হতে হয়েছে তাঁকে। তবে প্রবীন গীতিকার কিন্তু বরবার সপাট জবাব দিয়েছেন। এবারও তার অন্যথা হয়নি। ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছিলেন। সেখানেই ধেয়ে আসে কটাক্ষ। ছেড়ে কথা বলেননি প্রবীণ গীতিকারও। পালটা পাঠ দিয়েছেন ওই নিন্দুককে।

Advertisement

১৫ আগস্ট শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানিয়ে জাভেদ আখতার লিখেছিলেন, ‘ভারতীয় ভাইবোনদের স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা। এই স্বাধীনতা কিন্তু আমাদের থালায় সাজিয়ে দেওয়া হয়নি, আর সেকথা ভুলে গেলে চলবে না। যাঁরা আমাদের স্বাধীনতা এবং মুক্তির স্বাদ দেওয়ার জন্য জেলে গিয়েছিলেন এবং হাসিমুখে ফাঁসির দড়ি গলায় পরে নিয়েছিলেন, আজ তাঁদের কথা স্মরণ করুন। এই মূল্যবান উপহার যেন আমরা হারিয়ে না ফেলি।’ জাভেদের এহেন পোস্টের পালটা জনৈক নেটিজেনের কটাক্ষ- ‘আপনার স্বাধীনতা দিবস তো ১৪ আগস্ট।’ বলাই বাহুল্য, এখানে প্রবীণ শিল্পীর ধর্মকে নিশানা করে পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসের প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়েছে। আর সেকথা শুনেই তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠেন জাভেদ আখতার।

Advertisement

পালটা ওই নেটিজেনকে উত্তর কষানোর সুযোগ ছাড়েননি প্রবীণ গীতিকার। কোনওরকম রেয়াত না করেই জাভেদ লেখেন- ‘বাবা তোমার বাপ-ঠাকুরদা যখন ইংরেজ সরকারের জুতো চাটছিল, তখন আমার পূর্বপুরুষেরা স্বাধীনতার জন্য ‘কালা পানি’র শাস্তি ভোগ করছিলেন। তাই নিজের ওজন বুঝে কথা বলো।’ প্রসঙ্গত জাভেদের বাবা জন নিসার আখতার একজন বিশিষ্ট কবি এবং উর্দু গজলের গীতিকার ছিলেন। এছাড়া, অনেকের কাছেই হয়তো অজানা যে, জাভেদ আখতারের বাবা জন নিশার আখতার ব্রিটিশ বিরোধী লেখকদের সোসাইটির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর লেখা কবিতার মধ্য দিয়েই তৎকালীন ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। এবং জাভেদ আখতারের ঠাকুরদা ফজল-ই-হক খয়রাবাদি ১৮৫৭ সালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে মহাবিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলেন। আন্দামানে আমৃত্যু জেলবন্দি থেকে কারাগারেই ১৮৬৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.