Mira Kapoor

মুখের মধ্যে ফোটানো অসংখ্য সূঁচ! টানটান বলিরেখামুক্ত ত্বক পেতে কী করেন শাহিদপত্নী মীরা?

মুখের মধ্যে বিঁধে রয়েছে অসংখ্য সূঁচ অথচ যন্ত্রণার লেশমাত্র নেই! মুখ থেকে যখন এক এক করে সেই সূঁচগুলো তুলে ফেলা হচ্ছে তখনও অবলীলায় শুয়ে আছেন শাহিদপত্নী! সমাজমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৬, ১৯:৪৮

options
link
মুখের মধ্যে ফোটানো অসংখ্য সূঁচ! টানটান বলিরেখামুক্ত ত্বক পেতে কী করেন শাহিদপত্নী মীরা?
মীরার উজ্জ্বল ত্বকের রহস্য

মুখের মধ্যে বিঁধে রয়েছে অসংখ্য সূঁচ অথচ যন্ত্রণার লেশমাত্র নেই! মুখ থেকে যখন এক এক করে সেই সূঁচগুলো তুলে ফেলা হচ্ছে তখনও অবলীলায় শুয়ে আছেন শাহিদপত্নী! সমাজমাধ্যমে সেই মুহূর্তের ভিডিও নিজেই শেয়ার করেছেন মীরা কাপুর। যা দেখে নেটাগরিকদের চক্ষু একেবারে চড়কগাছ! আচমকা কী হল তারকাপত্নীর? একাধিক প্রশ্নে জর্জরিত মীরা। মুখের মধ্যে সূঁচ ফোটানো কতটা যন্ত্রণাদায়ক সেই প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন নেটপাড়ার সদস্যরা। সর্বোপরি কেন তিনি এটা করছেন তা জানতে অত্যুৎসাহী নেটভুবন।

Advertisement

ভিডিওবার্তায় সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন শাহিদ ঘরনি মীরা কাপুর (Mira Kapoor)। তিনি জানিয়েছেন, যন্ত্রণামুক্ত একটি ট্রিটমেন্ট, ‘যার নাম ‘কসমেটিক আকুপাংচার’। বলে রাখা ভালো, এটি মীরা কাপুরের ত্বক পরিচর্চার একটি অঙ্গ। তারকাদের গ্ল্যামারাস ত্বকের নেপথ্য গল্প জানতে সদা আগ্রহী সাধারণ মানুষ। আর ঠিক সেই কারণেই মীরার ত্বক চর্চা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্নের জোয়ার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মীরা জানান, “সূঁচগুলো অতি সুক্ষ। তাই চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই পদ্ধতি খুবই ফলপ্রসু।” ‘কসমেটিক আকুপাংচার’-এর উপকারিতাও সুন্দরভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। তাঁর কথায়, “এটি ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে, ত্বক রাখে একেবারে টানটান। এছাড়াও ত্বকে যোগ করে কোলানেজ, দূর হয় বলিরেখা।” উল্লেখ্য, বর্তমান প্রজন্ম নিজেদের আকর্ষণীয় করে তুলতে ফিলার্স বা ইনজেকশনের দিকে ঝোঁকে। কিন্তু, এই পদ্ধতি মোটেই ক্ষতিকারক নয়।

Advertisement
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Mira Rajput Kapoor (@mira.kapoor)

এবার আসা যাক যন্ত্রণা প্রসঙ্গে। নিজের মুখের অভিব্যক্তির উদাহরণ দিয়ে মীরা বলেন, “ব্যথা লাগে কিনা সেটা আমার মুখ দেখলেই বুঝতে পারবেন। যন্ত্রণার লেশমাত্র নেই। এই ট্রিটমেন্টে কোনও অসুবিধা হয়নি, অত্যন্ত আরামদায়ক। ‘সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতিতে মীরার সংযোজন, একসময় কাঁধে চোট পাওয়ার কারণে মুখের দুদিকে অসামঞ্জস্য ধরা পড়ে। এই পদ্ধতি ব্যবহারে সামঞ্জস্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে মুখের অতিরিক্ত ফোলাভাব কমে গিয়েছে বলেও দাবি করে মীরা কাপুর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.