সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অসম পুলিশের জেরার মুখে জনপ্রিয় পডকাস্টার ও ইউটিউবার রণবীর এলাহাবাদিয়া। বৃহস্পতিবার জাতীয় মহিলা কমিশনের মুখোমুখি হয়েছিল তিনি। শুক্রবার তিনি গিয়েছিলেন অসম পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হতেই। আর সেখানেই দেখা গেল, তাঁকে রীতিমতো ধাক্কা দিতে দিতে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। সব মিলিয়ে চারঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে।
‘বাবা-মায়ের যৌনতা দেখবে?’ ইউটিউবার, পডকাস্টার রণবীর এলাহাবাদিয়ার এহেন মন্তব্যে তোলপাড় দেশ। নিন্দার ঝড় উঠেছে সমাজমাধ্যমে, যেখান থেকে উত্থান রণবীরের। অসম থেকে মহারাষ্ট্র, দেশের একাধিক থানায় দায়ের হয়েছে এফআইআর। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার অসমে যান রণবীর।
পুলিসের তরফে জানানো হয়েছে, সেদিন সকাল সাড়ে বারোটা নাগাদ রণবীর থানায় আসেন। এরপর চারঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি তদন্তকারীদের সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন। সমস্ত প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন। আগামিদিনেও তাঁকে ডাকা হলে তিনি সমস্ত রকম সহযোগিতা করবেন বলে কথা দিয়েছেন রণবীর।
পাশাপাশি অসম পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, আরও চারজনকে এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। যে তিনজন প্রতিযোগী ওই শোয়ে অংশ নিয়েছিলেন তাঁদেরও ডাকা হয়েছে। তবে তাঁরা সকলেই জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে বিদেশে থাকায় তাঁরা হাজিরা দিতে পারছেন না। আগামিদিনে তাঁদের ফের নোটিস পাঠানো হবে। সেক্ষেত্রেও অনুপস্থিত থাকলে যথাযথ পদক্ষেপ করা হবে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় মহিলা কমিশনের মুখোমুখি হন রণবীর। কমিশনর চেয়ারপার্সন বিজয়া রাহাতকার এই বিষয়ে বলতে গিয়ে জানিয়েছেন, ”ওই শোয়ে যে অভব্য ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে তা একেবারেই অনৈতিক। কমিশন এটা একেবারেই মেনে নেবে না, মানুষও মেনে নেবেন না। আমরা এর সামাজিক প্রভাবের দিকটি মাথায় রেখেই ওঁদের নোটিশ পাঠিয়েছি। এবং কমিশনের সামনে হাজিরা দেওয়ার সময় তাঁরা নিজেদের দোষ স্বীকার করে ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন। সেই সঙ্গে কথা দিয়েছেন, এমনটা ভবিষ্যতে আর হবে না।”
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ