সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পর্দায় যত হিংসা, যত নগ্নতা, তত বিতর্ক! প্রেম-প্রতিশোধ-অ্যাকশনে ভরপুর রক্তাক্ত ট্রেলার দেখিয়েই বুকে কাঁপন ধরিয়েছিল ‘বাগি ৪’। আর শুক্রবারের বক্স অফিসে রীতিমতো ঝড় তুলে দিল এই ছবি। সিনেবিশেষজ্ঞরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, ‘বাগি’র চতুর্থ ফ্র্যাঞ্চাইজি পয়লা দিনে বড়জোর পাঁচ থেকে সাত কোটি আয় করবে! কিন্তু সেই হিসেবের উলট-পুরাণ করে রিলিজের দিনই ১২ কোটির ব্যবসা করল টাইগার শ্রফ, সঞ্জয় দত্ত অভিনীত অ্যাকশন থ্রিলার।
আগেভাগেই আভাস মিলেছিল যে, রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিম্যাল’-এর থেকেও হিংস্র টাইগার শ্রফ, সঞ্জয় দত্তের ছবি। কারণ ‘বাগি ৪’কে ছাড়পত্র দিতে গিয়ে নাকানিচোবানি খাওয়ার জোগাড় হয় সেন্সর বোর্ডেরও! ছবির দৃশ্যে কোথাও যিশুমূর্তিতে আঘাত, আবার কোথাও বা অশ্লীল গালিগালাজে ভরপুর একাধিক সংলাপ কিংবা রক্তগঙ্গা বয়ে যাওয়া হাড়হিম করা অ্যাকশন সিকোয়েন্স থেকে রগরগে নগ্ন দৃশ্য, যাবতীয় কারণে দিন কয়েক ধরেই বিতর্কের শিরোনামে এই ছবি। সিনেসমালোচকরাও ‘বাগি ৪’-এর মার্কশিটে কম নম্বর বসিয়েছেন। দর্শকমহলেও খুব একটা প্রশংসা নেই। তবুও এহেন বিতর্কের পালে হাওয়া তুলেই ওপেনিং ইনিংসে ছক্কা হাঁকাল সঞ্জয় দত্ত, টাইগার শ্রফের সিনেমা।

স্যাকনিকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ৫ সেপ্টেম্বর মুক্তির প্রথম দিনে হিন্দি বলয়ের মোট ২২.১৬ শতাংশ দর্শক দিনের বেলা ‘বাগি ৪’, দেখেছেন। তবে রাতে সেই গ্রাফ বেড়ে হয়েছে ৩৭.২৩ শতাংশ। জয়পুর, লখনউ, কলকাতা একাধিক জায়গার প্রেক্ষাগৃহের রিপোর্টও ভালো। এদিকে শুক্রবার একই দিনে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’-এর বাজার মন্দা। বিবেক অগ্নিহোত্রী পরিচালিত এই সিনেমাও জন্মলগ্ন থেকেই বিতর্কে। প্রোপাগান্ডা সিনেমা তৈরির অভিযোগে বিদ্ধ পরিচালক। প্রথম দিনে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’-এর আয় মোটে ১.৭৫ কোটি টাকা। অ্যাকশনে ভরপুর বাগি ৪-এর থেকে এই সিনেমা যে অনেকটাই পিছিয়ে, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
সর্বশেষ খবর
-
তিন বছরে তৃতীয়বার, উত্তরপ্রদেশে আম্বেদকরের মূর্তি ভাঙচুর!
-
‘কুঁড়ে’ প্রতিযোগীদের উপর রেগে কাঁই ‘বিগ বস’, সবাইকে ছাঁটাই! ব্রহ্মাস্ত্রে কাকে বাঁচাবেন জীতু?
-
পুজো উদ্যোক্তাদের ঐক্যবদ্ধ করতে রুদ্রনীলের নেতৃত্বে সমিতি বিজেপির! ‘ফোরাম ফর দুর্গোৎসবে’র ভবিষ্যৎ?
-
একঘণ্টা অপেক্ষার পরও আসেননি অধ্যক্ষ, কলেজের পরিচালন কমিটির সভাপতি দায়িত্ব নিজেই নিলেন কৌস্তভ!
-
মানতের মেহেন্দি পরলেই বিয়ে! জয়পুরের মন্দিরে উপচে পড়ল ভিড়, তিন ঘণ্টায় শেষ ৩৫০০ কেজি