সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বলিউডের পর্দায় খুব একটা দেখা না গেলেও টিনু আনন্দ অভিনীত খলচরিত্র কিংবা হাস্যরসে মোড়া চরিত্রগুলো দর্শকমহলে বরাবরই সমাদৃত। খুব একটা লাইমলাইটেও থাকেন না প্রবীণ অভিনেতা। তবে এবার বিতর্কের শিরোনামে ঠাঁই পেলেন পথকুকুরদের মারার হুমকি দিয়ে। পশুপ্রেমীরা এতটাই ক্ষিপ্ত যে অভিযোগও দায়ের করে ফেলেছেন প্রবীণ অভিনেতার বিরুদ্ধে।
ঠিক কী ঘটেছে? বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, হোয়াটঅ্যাপ ম্যাসেঞ্জারে টিনু আনন্দের একটি মেসেজ ভাইরাল হওয়ার পরই বিপাকে পড়েছেন তিনি। কারণ সেই মেসেজে টিনু পথসারমেয়দের হকি স্টিক দিয়ে বেধড়ক মারের হুমকি দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, পাশাপাশি পশুপ্রেমীদের উদ্দেশেও তোপ দেগে বলেন, ভারসোভা এলাকায় যত পথকুকুর রয়েছে তাদের হকি স্টিক দিয়ে মারা দরকার। এতে পশুপ্রেমীদের যদি দরদ উতলে ওঠে, তাহলে তাঁরা ওই সারমেয়গুলিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে রাখুন। নইলে করুণ পরিণতির জেরে ভুগতে হবে। আর টিনু আনন্দের তরফে এমন ‘হুমকি মার্কা’ বার্তা পেয়েই বেজায় চটেছেন মুম্বইয়ের পশুপ্রেমীরা। এরপরই প্রবীণ অভিনেতার বিরুদ্ধে ভারসোভা থানায় আঁচল চাড্ডা নামে জনৈক মহিলা অভিযোগ দায়ের করেন।
কিন্তু কেন পথকুকুরদের উপর এত চটলেন টিনু আনন্দ? অভিনেতার কথায়, শুটিং সেরে বাড়ি ফেরার পথে কতগুলো ভয়ানক কুকুরের সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে। টিনুর আশঙ্কা, “কখন যে কাকে কামড়ায় ঠিক নেই! এদের মোকাবিলা করার জন্য সবথেকে ভালো নিজের সঙ্গে হকি স্টিক রাখুন। আমাদের আবাসনে ইতিমধ্যেই এই নোটিস জারি করে দেওয়া হয়েছে।” ব্যস এরপরই মুম্বইয়ের পুলিশ আধিকারিক তথা সমাজকর্মী সুধীর কুড়ালকার টিনুকে ক্ষমা চাইতে বলেন। তিনি জানান, “ওই এলাকার কুকুরদের নিয়ম মেনে ভ্যাকসিন দেওয়া থেকে স্টেরলাইজ করা হয়। সেখানে পথসারমেয়দের বিরুদ্ধে প্রবীণ অভিনেতার এমন উসকানি আইন বিরুদ্ধ। আর কোনও তারকাই আইনের উর্ধ্বে নয়।”
সর্বশেষ খবর
-
বুকে মেয়ে নিখোঁজের প্ল্যাকার্ড, তারাপীঠে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাতের অপেক্ষায় উদ্বিগ্ন বাবা
-
‘পর্দায় পুরুষ সিংহ! বাস্তবে বুকের পাটা নেই’, আইনি নোটিস পেতেই যশকে তুলোধনা ইউটিউবারদের
-
‘বিশ্বের বৃহত্তম তেল চুক্তি’, ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল নিয়ন্ত্রণ চুক্তির ঘোষণা ট্রাম্পের
-
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস, মৎস্যজীবীদের বড় সতর্কতা
-
শ্রীলঙ্কায় জেতা ম্যাচ হাতছাড়া! তড়িঘড়ি ভারতীয় পেসারকে কাউন্টি খেলতে পাঠাচ্ছে বোর্ড, কেন?