গুরুতর অসুস্থ পরিচালক রাজা সেন। টলিপাড়ার অন্দরমহল সূত্রে খবর, শুক্রবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। এরপরই তড়িঘড়ি তাঁকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর প্রকাশ্যে আসতেই টালিগঞ্জের সেলেবপাড়াতেও উদ্বেগ। খবর পেয়ে প্রবীণ পরিচালককে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছেন বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী।
আরও পড়ুন:
দেবদূত ঘোষ জানিয়েছেন, বর্ষীয়াণ পরিচালক বর্তমানে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। অতঃপর রাজা সেনের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে সেলেবমহলে যে উদ্বেগ বাড়ছে, তা বলাই বাহুল্য।
রাজা সেনের অসুস্থতার খবর সংবাদ প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছেন শুভ্রজিৎ দত্ত এবং দেবদূত ঘোষ। শুভ্রজিৎ জানালেন, এদিন সকালে পর পর দু’বার হৃদরোগে আক্রান্ত হন রাজা সেন। বর্তমানে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। সেখানে পরিচালকের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। অন্যদিকে দেবদূত ঘোষ জানিয়েছেন, বর্ষীয়াণ পরিচালক বর্তমানে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। অতঃপর রাজা সেনের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে সেলেবমহলে যে উদ্বেগ বাড়ছে, তা বলাই বাহুল্য। সূত্রের খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত কারণে ভুগছিলেন তিনি। রাজা সেনের শারীরিক পরিস্থিতির খবর জানতে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল-এর তরফে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল তাঁর স্ত্রী তথা অভিনেত্রী পাপিয়া সেনের সঙ্গে। তবে এহেন কঠিন সময়ে ফোনে অধরা তিনি।
‘মায়া মৃদঙ্গ’ ছবির শুটিংয়ে আচমকা পড়ে গিয়েছিলেন পরিচালক। সেখান থেকেই শারীরিক জটিলতার সূত্রপাত।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের গোড়াতেই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল রাজা সেনকে। তখন অস্ত্রোপচারও হয়েছিল তাঁর। দশ বছর আগেকার এক সমস্যা সেসময়ে বড় আকারে থাবা বসায় পরিচালকের শরীরে। ‘মায়া মৃদঙ্গ’ ছবির শুটিংয়ে আচমকা পড়ে গিয়েছিলেন পরিচালক। সেখান থেকেই শারীরিক জটিলতার সূত্রপাত। কোমরে মারাত্মক চোট পেলেও প্রথমে তাতে বিশেষ পাত্তা দেননি, কিন্তু অবহেলার কারণেই মাশুল গুনতে হয় পরবর্তীকালে। হাঁটাচলার সমস্যাতেও ভুগছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘শুধরে যাও, নাহলে…’, নাম না করে রাষ্ট্রসংঘে ফের ‘সন্ত্রাসী’ পাকিস্তানকে তুলোধোনা জয়শংকরের
-
পুরভোটের আগে ফের সাংগঠনিক রদবদল বঙ্গ বিজেপিতে, বড় দায়িত্বে সজল
-
ভিনিসিয়াস-নুনেজদের স্বাগত জানাতে সেজে উঠছে যুবভারতী
-
রাষ্ট্রসংঘে মহানাটক! ইরানের দূতকে রহস্যময় উপহার দিতে গেলেন ইজরায়েলের প্রতিনিধি, তারপর…
-
২৪ দিনে ৫৫ নবজাতকের মৃত্যু! বিতর্কে কী বলছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল?