Taslima Nasreen

মালালা পাকিস্তানিকে বিয়ে করায় হতাশ তিনি, একাধিক টুইটে জানালেন তসলিমা

তসলিমার মতে, যারা মালালাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল, তাদেরই একজনকে বিয়ে করেছেন মালালা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২৩, ১৫:২৯

options
link
মালালা পাকিস্তানিকে বিয়ে করায় হতাশ তিনি, একাধিক টুইটে জানালেন তসলিমা

সংবাদি প্রতিদিনি ডিজিটাল ডেস্ক: যারা মালালাকে (Malala Yousafzai) হত্যার চেষ্টা করেছিল, তাদেরই একজনকে বিয়ে করলেন মালালা ইউসুফজাই। অভিযোগ বাংলাদেশের (Bangladesh) বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের (Taslima Nasrin)। টুইটারে নিজের হতাশার কথা জানালেন তিনি। এই বিষয়ে একাধিক টুইট করলেন লেখিকা।

Advertisement

গত ৯ নভেম্বর বিয়ে করেন মালালা। গাঁটছড়া বাঁধেন পাকিস্তানের (Pakistan) উদ্যোগপতি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অন্যতম কর্তা অসর মালিকের সঙ্গে। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই এই খবর জানান মালালা। এই বিয়েতেই নাখুশ তসলিমা। বরং তিনি হতাশ হয়েছেন। একথাই জানিয়েছেন টুইট করে।

Advertisement

টুইটে কটাক্ষের সুরে তসলিমা লেখেন, ‘‘মালালা এক জন পাকিস্তানিকে বিয়ে করেছেন, একথা জেনে হতাশ হয়েছি। ওঁর বয়স মাত্র ২৪। আমি ভেবেছিলাম মালালা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাবেন। আশা করেছিলাম একজন সুদর্শন এবং প্রগতিশীল ইংরেজের প্রেমে পড়বেন তিনি। ৩০ বছরের আগে বিয়ের কথা ভাববেন না। কিন্তু…’’।

Advertisement

[আরও পড়ুন: চুপিসারেই বিয়ে সারলেন নোবেলজয়ী মালালা, কার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন?]

কবিতার কায়দায় অন্য টুইটে মালালার দিকে একাধিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন তসলিমা। “কারা ওঁকে হত্যার চেষ্টা করছিল? পাকিস্তানি। কেন ও নিজের দেশে বসবাস করতে পারল না? পাকিস্তানের জন্যই।” তসলিমার কথায়, ”যারা ওঁকে আশ্রয় দিয়েছেন, ওঁর চিকিৎসা করেছেন, জীবন বাঁচিয়েছেন, যাঁরা ওঁকে তহবিল সংগ্রহে সাহায্য করেছেন, নোবেল দিয়েছেন, তাঁরা সকলেই কিন্তু সাদা চামড়ার মানুষ।” তসলিমা হতাশ কারণ, এর পরেও একজন পাকিস্তানিকেই বিয়ে করলেন মালালা!

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশের হিংসার ঘটনায় হিন্দুদের পক্ষ নেওয়ায় ফেসবুকে ‘নির্বাসিত’ তসলিমা নাসরিন!]

১৯৯৭ সালের ১২ জুলাই উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াট জেলায় জন্ম নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাইয়ের। সুন্নি মুসলিম পরিবারে মেয়ে। ২০১২ সালে স্কুলে যাওয়ার পথে জঙ্গি হামলা হয় তাঁর উপর। নারীশিক্ষায় সক্রিয় ভূমিকার জন্য ২০১৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান মালালা। হামলার পর চিকিৎসার জন্য পাকিস্তান ছাড়েন তিনি। আসেন ইংল্যান্ডে। বর্তমানে ইংল্যান্ডেরই পাকাপাকি বাসিন্দা মালালা। এখান থেকেই নারীর ক্ষমতায়ন ও নারীশিক্ষার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.