রাজ্যে পালাবদলের পর এবার টলিউডে পরিবর্তনের পালা। পুজোর পরই ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশনে ভোট বলে খবর। শুক্রবার বিকেলে রবীন্দ্র সদনে একটি জরুরি বৈঠক হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী, পিয়া সেনগুপ্ত-সহ ইমপার সদস্যরা। সূত্রের খবর, সেখানে মূলত ইমপার নির্বাচন নিয়েই কথা হয়েছে। দিনক্ষণও মোটের উপর স্থির হয়েছে। এখন সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন ও নতুন করে বোর্ড গঠন করা বড় চ্যালেঞ্জ ইমপার কাছে।
আরও পড়ুন:
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আগামী ২০ নভেম্বর ইমপার নির্বাচনের দিন প্রায় চূড়ান্ত। তবে এই নির্বাচন ঘিরে অশান্তির আঁচ করছেন খোদ সদস্যরাই। ইমপার অভ্যন্তরীণ ইস্যু নিয়ে সদস্যদের অনেকের অসন্তোষ রয়েছে। এই মুহূর্তে কার্যত দুটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত ইমপা। পিয়া সেনগুপ্ত বনাম শতদীপ সাহা এবং রতন সাহা। পিয়ার পদত্যাগের পর রতন সাহা সভাপতি পদে আসেন। তাঁর পদকে আবার চ্যালেঞ্জ করেছিলেন পিয়া। সবমিলিয়ে বেশ ডামাডোল ইমপায়। ভুয়ো সদস্যদের নিয়েও একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে। এদিনের বৈঠকে একটা বড় অংশের প্রস্তাব, যাঁরা ইমপার নামমাত্র সদস্য কিন্তু প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের ভোটাধিকার প্রত্যাহার করা হোক।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আগামী ২০ নভেম্বর ইমপার নির্বাচনের দিন প্রায় চূড়ান্ত। তবে এই নির্বাচন ঘিরে অশান্তির আঁচ করছেন খোদ সদস্যরাই। ইমপার অভ্যন্তরীণ ইস্যু নিয়ে সদস্যদের অনেকের অসন্তোষ রয়েছে। এই মুহূর্তে কার্যত দুটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত ইমপা। পিয়া সেনগুপ্ত বনাম শতদীপ সাহা এবং রতন সাহা। পিয়ার পদত্যাগের পর রতন সাহা সভাপতি পদে আসেন। তাঁর পদকে আবার চ্যালেঞ্জ করেছিলেন পিয়া। সবমিলিয়ে বেশ ডামাডোল ইমপায়। ভুয়ো সদস্যদের নিয়েও একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে। এদিনের বৈঠকে একটা বড় অংশের প্রস্তাব, যাঁরা ইমপার নামমাত্র সদস্য কিন্তু প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের ভোটাধিকার প্রত্যাহার করা হোক। এই আবহে নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল। পাশাপাশি এই ভোটের পর টলিউডের অভ্যন্তরীণ সমস্যা মিটে ফের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজের পরিবেশ ফিরবে, এই আশা সকলের।
আসলে ইমপায় এই জটিলতার সূত্রপাত গত জুলাই মাস থেকে। ছাব্বিশের নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই প্রভাব পড়ে টলিউডেও। গত মে মাসে সংগঠনের নতুন সভাপতি নির্বাচন নিয়ে ইম্পার দপ্তর রীতিমতো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। শেষমেশ পিয়া সেনগুপ্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপর শান্তি ফিরিয়ে, ইম্পার দৈনন্দিন কাজকর্ম এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি নতুন অন্তর্বর্তীকালীন কার্যকরী কমিটি তৈরি হয়। কিন্তু তা অস্থায়ী। ফলে স্থায়ী কমিটি গড়তে নির্বাচন অবশ্যম্ভাবী ছিল। তাই আর দেরি না করে তা পুজোর পরই করে ফেলতে চান ইমপার সদস্যরা। সব ঠিক থাকলে ২০ নভেম্বর এই নির্বাচন হবে। উল্লেখ্য, শুক্রবার ইমপার বৈঠক ছাড়া আরও একটি বৈঠক হয়েছে রবীন্দ্র সদনে। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের তরফে এই বৈঠকে বাংলা সিনেমা বিষয়ক বিভিন্ন আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভাড়ার অ্যাকাউন্টে দেশজুড়ে সাইবার জালিয়াতি! পার্ক স্ট্রিটের ব্যাঙ্কে ‘মিউল অ্যাকাউন্টের’ সন্ধান পেল পুলিশ
-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সসম্মানে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু, হাদির নাম মুছে ফিরছে শেখ মুজিবুর রহমান হল
-
শ্রীঘরে দুই বেয়াই! দু’বছর আগে নাবালিকার বিয়ে, কোলে ৬ মাসের শিশু, খবর পেতেই ‘অ্যাকশন’ পুলিশের
-
‘হিরো, আপনিই বাঁচিয়েছেন’, ককপিটে সতীর্থের ছুরিতে রক্তাক্ত হয়েও কর্তব্যে অবিচল ভারতীয় পাইলট
-
বার্বিকিউ কাণ্ড থেকে শিক্ষা! দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কত হোমস্টে? রিপোর্ট চাইলেন মন্ত্রী