Shamik Adhikary

প্রেমিকাকে রাতভর ফ্ল্যাটে আটকে মারধর, হেনস্তায় গ্রেপ্তার, অবশেষে জামিন পেলেন ‘ননসেন’ শমীক

বান্ধবীকে শারীরিক নির্যাতন এবং যৌন হেনস্তার অভিযোগে ৬ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হন ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারী। এরপর একাধিকবার জামিনের আবেদন করলেও তা মঞ্জুর হয়নি। এবার ১২ মার্চ, বৃহস্পতিবার শেষমেশ জামিন পেলেন ইনফ্লুয়েন্সার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৬, ১৩:১৪

options
link
প্রেমিকাকে রাতভর ফ্ল্যাটে আটকে মারধর, হেনস্তায় গ্রেপ্তার, অবশেষে জামিন পেলেন ‘ননসেন’ শমীক
জামিন পেলেন শমীক অধিকারী, ছবি: সোশাল মিডিয়া।

ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ায় যৌন কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারীর (Shamik Adhikary)। বেহালা থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। এরপরই শমীকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা রুজু করার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ। অভিযোগকারিণীর আইনজীবীর তরফে জানানো হয়েছিল, শমীক নির্যাতিতার বন্ধু। বাড়ি বদল করার সময় সাহায্য করার অজুহাতে তরুণীকে নিজের ফ্ল্যাটে ডেকে পাঠান শমীক। এরপরই তরুণীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেন শমীক, এমনটাই অভিযোগ। সারারাত ধরে তাঁর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছিল। অশান্তি চলাকালীন যে প্রেমিকাকে শারীরিক আঘাত করেছিলেন ইনফ্লুয়েন্সার শমীক, মা-বাবা দু’জনেই একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছিলেন সেকথা।

Advertisement

পুলিশি বয়ানে নির্যাতিতা সাফ জানিয়েছিলেন যে, মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে দেন শমীক। এমনকী অভিভাবকের উপস্থিতিতেই যে ফ্ল্যাটে এমন ‘পাশবিক’ কাণ্ড ঘটিয়েছেন অভিযুক্ত ইনফ্লুয়েন্সার, সেকথাও স্পষ্ট জানিয়েছিলেন ওই তরুণী। নির্যাতিতার সাফ মন্তব্য ছিল, “মারের চোটে আমার এক চোখ ফুলে যায়। আমার চোখের নিচে এখনও কালশিটে পড়া। এরমাঝে আমার চিৎকার শুনে ওর মা-বাবা আসে। তখন ও নিজে সুইসাইডের হুমকি দেয়। ওর বাবা-মা তাতেই ভয় পায়। কিন্তু আমাকে মারছে দেখেও ওরা আমাকে একা ফেলে চলে যায়। আমি ওর মাকে ইশারা করে বলতে থাকি ‘আন্টি, কাউকে একটা ফোন করো।’ কারণ আমার ফোন আমার কাছে ছিল না। কিন্তু ওর মা আমার কথা না শুনেই আমাকে ওখানে ছেড়ে চলে যায়। কারণ ওরা নিজেই ভয় পাচ্ছিল শমীকের এহেন রূপ দেখে।” নির্যাতিতা বয়ানে এও দাবি করেন যে, পরদিন সকালে উঠে চোখও ভালো করে খুলতে পারছিলেন না তিনি। বিকেল পর্যন্ত তাঁকে ফ্ল‌্যাটে আটকে থাকতে হয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে না আনার হুমকিও দেন শমীক। তবে সাহস করেই পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। ঘটনায় শমীক অধিকারীর বিরুদ্ধে ন্যায় সংহিতার ১২৭(২), ১১৫(২), ৭, ৪ এবং ৩৫১(২) ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল। এবার ১২ মার্চ শেষমেশ ‘ননসেন’ শমীক অধিকারী জামিন পেলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন