গত সেপ্টেম্বরে বলিউডের অভিনেত্রী দিশা পাটানির (Disha Patani) বরেলির বাড়িতে চলেছিল বন্দুকবাজের হামলা। এবার সেই ঘটনায় অভিযুক্ত বিষ্ণোই গ্যাংয়ের ঘনিষ্ঠ গ্রেফতার। দিল্লি পুলিশের জালে বিষ্ণোই ঘনিষ্ঠ মাহফুজ আলিয়াস ববি কবুতর।
আরও পড়ুন:
বিগত সাত বছর ধরে গা ঢাকা দিয়েছিল এই মাহফুজ আলিয়াস ববি কবুতর। এদিন দিল্লি-গুরুগ্রাম সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। উত্তর-পূর্ব দিল্লি থেকেই সমস্ত কর্মকাণ্ড চালাত ববি। যার নাম জড়িয়েছে নাদিম ব্রাদার্স থেকে সিধু মুসেওয়ালা হত্যাকাণ্ডেও। এমনকী একাধিক জনপ্রিয় ব্যাক্তিত্বদের বাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় যুক্ত এই ববি। আর এই তালিকায় রয়েছেন দিশা পাটানিও। গত সেপ্টেম্বরে দিশার বরেলির বাড়িতে হামলার ছক কষেছিল এই বিষ্ণোই ঘনিষ্ঠই। নিজে না গুলি চালালেও দুষ্কৃতীদের আগ্নেয়াস্ত্র সবরাহ করত ববি কবুতর।
আরও পড়ুন:
গত সেপ্টেম্বরে বলিউডের অভিনেত্রী দিশা পাটানির বরেলির বাড়িতে চলেছিল বন্দুকবাজের হামলা। এবার সেই ঘটনায় অভিযুক্ত বিষ্ণোই গ্যাংয়ের ঘনিষ্ঠ গ্রেফতার।

বলে রাখা ভালো, গত ১২ সেপ্টেম্বর দিশা পাটানির বরেলির বাড়িতে ৪ থেকে ৫ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বী সাধু প্রেমানন্দ মহারাজ ও অনিরুদ্ধাচার্য মহারাজকে অপমান করার ফলেই দিশার বাড়িতে এই হামলা চালানো হয় বলে জানানো হয়েছিল সেই সময়। যার দায় স্বীকার করে নিয়েছিল কুখ্যাত গোল্ডি ব্রার গ্যাং। ওই ঘটনার পরেই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করেন যোগী আদিত্যনাথ। পাঁচদিনের মাথায় এনকাউন্টারে শেষ করা হয় ২ অভিযুক্তকে। ওই ঘটনার পর দিশার বাবা জগদীশ পাটানি জানিয়েছিলেন, বরাতজোরে রক্ষা পেয়েছেন। আর একটু হলেই বড় বিপদ হতে পারত। একটুর জন্য তাঁর গায়ে লাগেনি। সেদিন দিশার বাড়ির পোষ্য হঠাৎ ডাকতে শুরু করায় তিনি সতর্ক হয়ে যান। সেইজন্যই গুলিবিদ্ধ হওয়ার হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন বলেই জানিয়েছিলেন দিশার বাবা। এরপর জগদীশ পাটানিকে আত্মরক্ষার স্বার্থে বন্দুক রাখার লাইসেন্স দিয়েছিল যোগী সরকার।
সর্বশেষ খবর
-
হরমুজ এবার ট্রাম্প প্রণালী! ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝেই গর্জন মার্কিন প্রেসিডেন্টের
-
কখনও জলে ডুবে, কখনও ঠায় শুয়ে, আচমকা কী হল ‘রামলালে’র?
-
বয়স ভাঁড়ানোর অপরাধে ‘বাংলা’র ক্রিকেটারকে দু’বছরের নির্বাসনে পাঠাল বোর্ড
-
পুজোর আগে বেহাল পিচ রাস্তা মেরামত, বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে কী জানালেন পুর ইঞ্জিনিয়াররা?
-
প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদেশে ত্রিশতরান! দক্ষিণ আফ্রিকায় ইতিহাস হৃদয়ের