Munawar Faruqui

‘এটাই ধর্ম রক্ষা? অমানবিক, দানব’! বাংলাদেশের দীপু হত্যাকাণ্ডে গর্জে উঠলেন মুনাওয়ার ফারুকী

'এই ঘটনায় মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন জাগছে', সরব ফারুকী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ১৪:২৬

options
link
‘এটাই ধর্ম রক্ষা? অমানবিক, দানব’! বাংলাদেশের দীপু হত্যাকাণ্ডে গর্জে উঠলেন মুনাওয়ার ফারুকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দ্বেষের আগুনে জ্বলছে বাংলাদেশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহে দীপু দাস নামে জনৈক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে খুন করেছে কট্টরপন্থীরা। জনসমক্ষে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁর দেহ। নারকীয় এই ঘটনায় কেঁপে উঠেছে গোটা বিশ্ব। নৃশংস এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে সভ্য সমাজের একাংশ। এবার বাংলাদেশের দীপু হত্যাকাণ্ড নিয়ে গর্জে উঠলেন মুনাওয়ার ফারুকী।

Advertisement

বছর দুয়েক আগে হিন্দু দেবদেবীদের নিয়ে ‘চটুল রসিকতা’র জন্য শ্রীঘরে ঠাঁই হয়েছিল জনপ্রিয় এই কৌতুকশিল্পীর। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগও ওঠে ফারুকীর বিরুদ্ধে। এবার সেই কৌতুকশিল্পীই দীপু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রশ্ন তুললেন,”এটাই কি ধর্ম রক্ষা করার একমাত্র উপায়?” ধর্মের নামে দ্বেষ, রক্তারক্তি, হানাহানির ঘটনা নতুন নয়! সাম্প্রদায়িক বিভাজনের গেরোয় আবারও মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল দ্বেষের বাংলাদেশ। সেই প্রেক্ষিতেই দীপু হত্যাকাণ্ড নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন প্রাক্তন ‘বিগ বস’ বিজেতা মুনাওয়ার ফারুকী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ফারুকীর মন্তব্য, “বাংলাদেশে পিটিয়ে মারার ঘটনার ভয়ানক ভিডিও দেখে আমি যতটা অসুস্থ বোধ করছি, ততটাই মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন জাগছে আমার মনে। এটাই কি ধর্ম রক্ষা করার পদ্ধতি? এই লোকগুলি অমানবিক দানব ছাড়া কিছুই নয়! আর গোটা বিশ্ব এই ঘটনা চুপ করে দেখছে। দয়া করে সরব হোন। এবং এই দোষীদের ফাঁসিতে ঝোলান।” সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে গর্জে উঠেছেন হিন্দি টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দেবলীনা ভট্টাচার্যও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Munawar Faruqui (@munawar.faruqui)

জানা যায়, নিহত দীপু গত দু’বছর ধরে বাংলাদেশের ভালুকার একটি কারখানায় কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ কারখানায় হঠাৎ একদল বিক্ষোভকারী চড়াও হন। চলে ভাঙচুর। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, টেনে হিঁচড়ে কারখানার বাইরে বের করে আনা হয় দীপুকে। তারপর গণপিটুনি দেওয়া হয় তাঁকে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দীপুর। এরপর তাঁর দেহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে নিয়ে যায় বিক্ষুব্ধ জনতা। গাছে বেঁধে ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন। সঙ্গে চলে স্লোগান। সূত্রের দাবি, ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের জেরেই খুন করা হয়েছে দীপুকে। কিন্তু সেই দাবি খারিজ করেছে বাংলাদেশের র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। রবিবার তারা জানিয়েছে, দ্বীপু বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার কোনও প্রমাণ মেলেনি। তিনি উসকানিমূলক কোনও মন্তব্যও করেননি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.