Arijit Singh

‘ধস্তাধস্তি, চ্যাংদোলা করে…’, অরিজিৎ সিংয়ের দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের এসরাজ শিল্পীর!

অরিজিৎ সিংয়ের ছবির শুটিং দেখতে গিয়ে হেনস্তার শিকার!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৫, ২০:২৮

options
link
‘ধস্তাধস্তি, চ্যাংদোলা করে…’, অরিজিৎ সিংয়ের দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের এসরাজ শিল্পীর!

নিজস্ব সংবাদদাতা, বোলপুর: বীরভূমের শান্তিনিকেতনে অরিজিৎ সিং পরিচালিত সিনেমার শুটিং চলছিল। আর সেখানেই স্থানীয় এক বাসিন্দাকে হেনস্তার অভিযোগ উঠল গায়কের দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে। শান্তিনিকেতনের সুভাষপল্লীর বাসিন্দা তথা এসরাজ শিল্পী কমলাকান্ত লাহার অভিযোগ, তাঁকে চ্যাংদোলা করে সরিয়ে দিয়েছেন গায়কের টিমের সদস্য। এমনকী সেই ধস্তাধস্তির জেরে তাঁর সোনার আংটিও খোয়া গিয়েছে, বলে দাবি শিল্পীর। সেই প্রেক্ষিতেই অরিজিৎ সিংয়ের দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন কমলাকান্তবাবু।

Advertisement

জানা গিয়েছে, কয়েক মাস ধরেই শুটিংয়ের কাজে শান্তিনিকেতনে যাতায়াত করছেন অরিজিৎ সিং। বুধবার বিকেলে শান্তিনিকেতন থানার পুলিশের অনুমতি নিয়েই তালতোড় এলাকায় শুটিং চলছিল। ঘটনাস্থলে মোতায়েন ছিল পুলিশও। অরিজিতের শুটিংয়ের জন্য রাস্তা আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় কোপাইয়ের দিকে বাইকে চেপে কাজে যাচ্ছিলেন এসরাজ যন্ত্রাংশ নির্মাতা কমলাকান্ত লাহা। তিনি শান্তিনিকেতনের সুভাষপল্লীর বাসিন্দা। তাঁর দাবি, সেসময়ে শুটিং চলায় তাঁকে অরিজিতের নিরাপত্তারক্ষীরা পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করতে বলেন। কিন্তু পনেরো মিনিট চলে যাওয়ার পরও তাঁকে যেতে না দেওয়ায় তিনি গায়কের দেহরক্ষীদের পথ ছাড়ার অনুরোধ করেন। কারণ তাঁর কাজে যেতে দেরি হচ্ছে। পালটা তাঁকে দেহরক্ষীদের তরফে জানানো হয়, আরও ৩০ মিনিট দাঁড়াতে হবে। এপরই ঘটে বিপত্তি!

Advertisement

গায়কের দেহরক্ষীদের বারণ না শুনে তিনি সেই রাস্তা দিয়ে যেতে গেলে এক দেহরক্ষী ছুটে এসে কমলাকান্তবাবুকে চ্যাংদোলা করে সরিয়ে দেন। ধস্তাধস্তিতে তাঁর হাতের একটি সোনার আংটি খোয়া যায় বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় শান্তিনিকেতনে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

Advertisement

কমলাকান্ত লাহার মন্তব্য, “৩০ মিনিট আমাকে দাঁড়িয়ে থাকতে বলা হয়। এরপরে আমি রাস্তা দিয়ে পার হতে গেলেই ওঁর রক্ষীরা এসে আমার সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে এবং আমাকে হেনস্তা করে। আর ওই সময়েই আমার আংটি হারিয়ে যায়। আমি একজন শিল্পী, আরেকজন শিল্পীর নিরাপত্তারক্ষীদের এমন কদর্য ব্যবহারে স্তম্ভিত।” যদিও অরিজিৎ ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষীর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ আপাতত অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন, বলে জানা গিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.