মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু কবি পিনাকি ঠাকুরের

কৃত্তিবাস ও অ্যাকাডেমি পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৯, ১৬:১০

options
link
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু কবি পিনাকি ঠাকুরের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বছরের শুরুতেও মৃত্যুমিছিল অব্যাহত। প্রয়াত কবি পিনাকি ঠাকুর। এদিন সকাল নটা নাগাদ এসএসকেএম হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।

Advertisement

২১ ডিসেম্বর চিকিৎসকরা জানান, তিনি সেরিব্রাল ম্যালেরিয়ার কবলে পড়েছেন। ভরতি হন কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তাঁকে ব্যারাকপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। সেখানেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তারপর ভরতি করা হয় এসএসকেএমে। মস্তিষ্কে মাত্রারিক্ত রক্তক্ষরণের ফলেই মৃত্যু হয় তাঁর। এদিন প্রয়াত হন আরও এক সাহিত্যিক দিব্যেন্দু পালিত। এরপরই সামনে আসে পিনাকি ঠাকুরের মৃত্যুসংবাদ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[প্রয়াত সাহিত্যিক দিব্যেন্দু পালিত]

ডানলপ কারখানায় চাকরি পেয়েছিলেন পিনাকি ঠাকুর। সেখান থেকেই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু পরবর্কাতীলে সব ফেলে স্কুলশিক্ষকতা শুরু করেন তিনি। তারপর থেকেই শুরু হয় সাহিত্যচর্চা। হুগলির বাঁশবেড়িয়ার বাড়ি থেকে কলকাতায় আসতেন কবিতার টানে। সঙ্গে চলত সাহিত্যচর্চা। আটের দশক থেকে লেখালিখি শুরু করলেও নয়ের দশকে সাহিত্যজগতে পরিচিতি লাভ করেন পিনাকি ঠাকুর। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ একদিন অশরীরী বেরোতেই প্রশংসা করেন কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, শঙ্খ ঘোষের মতো ব্যক্তিত্ব। এরপরই কিছু ম্যাগাজিন সম্পাদনার কাজ করেছেন তিনি। পাশাপাশি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ। লিরিকাল কবিদের সময় অন্য স্বাদের কবিতা লেখার সাহস দেখান পিনাকি ঠাকুর। আর তা নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। কলঙ্করচনা, আমরা রইলাম, অকালবসন্ত, শরীরে কাচের টুকরো, কালো রঙের আগুন-এর মতো তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ আধুনিক কবিতা জগতে পরিচিতি পায়। চুম্বনের ক্ষত কাব্যগ্রন্থের জন্য আনন্দ পুরস্কার পান তিনি। কৃত্তিবাস ও অ্যাকাডেমি পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি।

Advertisement

[গান স্যালুটে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে ‘কলকাতার যিশু’-র স্রষ্টাকে]

পিনাকি ঠাকুরের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বাংলার সাহিত্যমহল। শোকপ্রকাশ করেন কবি সুবোধ সরকার। তিনি বলেন, “নয়ের দশকের সেরা কবিদের মধ্যে অন্যতম কবি। ওর কবিতা যে কোনও দশকেই মাইলস্টোন।” শেষ সময়ে পাশে ছিলেন আরেক সাহিত্যিক দিব্যেন্দু ঘোষ। তিনি শোকপ্রকাশ করে বলেন, “ওর না থাকা বাংলা কবিতায় অপূরণীয় ক্ষতি।”  বাঁশবেড়িয়ার ত্রিবেণী শ্মশানে এদিন তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তার আগে অ্যাকাডেমি চত্বরে কবিকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.