দু’দশক আগে রাজস্থানের কোঙ্কানি গ্রামে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ ওঠে সলমনের বিরুদ্ধে। ২০১৮ সালে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় দু’ রাত জেলেও থাকতে হয় বলিউড সুপারস্টারকে। তবে সেসময়ে জামিনে ছাড়া পেলেও আজও কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার মীমাংসা হয়নি। ভাইজানের জীবনের সেই ‘অভিশপ্ত অধ্যায়’এবার বলিউডে পর্দায়। ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে সিনেমার পোস্টার। আর সেই পোস্টার শেয়ার করার সময়ই নির্মাতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন আগামী ২০ জুন মুক্তি পাবে সিনেমার টিজার। পরিচালক ভরত শ্রীনাতের নির্দশনাতেই তৈরি হয়েছে ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’। মুক্তির আগেই বিপত্তি! আইনি জটে ভরতের ‘কালা হিরণ’! একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট মোতাবেক, সলমন খানের আইনজীবীর পক্ষ থেকে নোটিস পাঠানো হয়েছে সিনেমার পরিচালক ও প্রযোজক অমিত জানিকে।
আরও পড়ুন:
সূত্রের দাবি, ছবির মুক্তি আপাতত স্থগিত রাখতে এবং সিনেমা সংক্রান্ত প্রচারমূলক কনটেন্ট সামাজিক মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, নিঃশর্ত লিখিত ক্ষমাপ্রার্থনা জমা দেওয়ার দাবি জানানোর পাশাপাশি চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে এই দাবি পূরণ না হলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা দায়েরের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।ভাইজানের আইনজীবীর পক্ষ থেকে পাঠানো নোটিসের ছবি পোস্ট করে প্রযোজক এক বিবৃতিতে জানান, আইনি নোটিস পাঠিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আইনি নোটিসের প্রতিক্রিয়ায় অমিত লেখেন, ‘এই নোটিসগুলোর উদ্দেশ্য মানুষকে ভয় দেখানো যাতে তারা তাঁর তারকাখ্যাতির সামনে নতি স্বীকার করে। মানুষকে ভয় দেখানো তাঁর স্বভাব আর ভয় না পাওয়া আমার স্বভাব। তিনি মনে করেন আমি শেষ হয়ে গিয়েছি। তাঁকে বলুন, আমি এখনও শেষ হয়ে যাইনি।’
View this post on InstagramAdvertisement
অমিত জানির শেয়ার করা ছবিগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২৪ এপ্রিল ওই আইনি নোটিসটি কাস্টিং ডিরেক্টর অক্ষয় পাণ্ডের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল। তবে এই মর্মে এখনও পর্যন্ত সলমান বা তাঁর আইনজীবীর পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাননি। সলমনের আইনজীবীর তরফে পাঠানো নোটিস অনুযায়ী, তাঁরা জানতে পারেন অক্ষয় পাণ্ডে এই ছবির জন্য বিভিন্ন অভিনেতার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করছেন গল্পটি সলমান খানের কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার দ্বারা অনুপ্রাণিত। নোটিশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে সলমন (Salman Khan) তাঁর নাম, ব্যক্তিত্ব বা তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও ঘটনা ব্যবহারের অনুমতি বা সম্মতি প্রদান করেননি।
View this post on Instagram

আরও বলা হয়েছে যে মামলাটি এখনও রাজস্থান হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। এই অবস্থায় সিনেমা তৈরি হলে বিচার প্রক্রিয়ায় সমস্যা তৈরি হতে পারে। নোটিশে দাবি করা হয়েছে, কোনও অতিরঞ্জিত বা চাঞ্চল্যকর উপস্থাপনা সলমান খানের বিরুদ্ধে জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তাঁর ন্যায্য বিচারের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। নোটিসে উল্লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, নির্মাতারা সালমানের খ্যাতি ও সুনামকে ব্যবহার করে বাণিজ্যিক সুবিধা অর্জনের চেষ্টা করছেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
আপ্ত সহায়কের খোঁজে অভিষেকের বাড়িতে তল্লাশি, ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
কাশ্মীরের বাজার থেকে উধাও খাসির মাংস! হঠাৎ কী ঘটল? পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ওমর আবদুল্লা
-
অস্তিত্ব সংকটে জয়ললিতার দল! ২ মাসে ইস্তফা ছয় বিধায়কের, নেপথ্যে কোন সমীকরণ?
-
সম্পর্কে পরিবারের বাধা! বেঙ্গালুরুর হোমস্টের ভিতরে উদ্ধার তরুণীর দেহ, অচেতন প্রেমিক
-
সাফল্যের গল্প নিয়ে এনটিসিএ-কে চিঠি, আসছে আরও জোড়া বাঘিনী