Sunjay Kapur

আইনি গেরোয় এখনও ব্রিটেনে আটকে সঞ্জয়ের দেহ! উদ্বিগ্ন পরিবার

মৃত্যুর পর প্রায় চারদিন কেটে গেলেও এখনও তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়নি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৫, ১২:৩৮

options
link
আইনি গেরোয় এখনও ব্রিটেনে আটকে সঞ্জয়ের দেহ! উদ্বিগ্ন পরিবার
ছবি: ফেসবুক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১২ জুন, বৃহস্পতিবার প্রয়াত হয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি তথা করিশ্মা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী সঞ্জয় কাপুর। সঞ্জয়ের মৃত্যু ঘটে লন্ডনে। পোলো খেলতে খেলতে আচমকাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। কিন্তু মৃত্যুর পর প্রায় চারদিন কেটে গেলেও এখনও তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়নি। জানা গিয়েছিল, সঞ্জয়ের মৃতদেহ দিল্লিতে ফিরিয়ে আনার পর সেখানেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। কিন্তু বিভিন্ন আইনি জটিলতায় আটকে রয়েছে সঞ্জয়ের দেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়াই।

Advertisement

ঠিক কী কারণে এই জটিলতা? আসলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছিল সঞ্জয়ের।তিনি মারা গিয়েছেন ব্রিটেনে। সেই কারণেই দেশে তাঁর দেহ ফেরানো নিয়ে নানা জটিলতা দেখা গিয়েছে। তাঁর দেহ দেশে ফেরাতে আরও বেশ কিছুটা সময় লাগবে বলেই জানা যাচ্ছে। ঠিক হয়ে আছে, লন্ডনে ময়নাতদন্তের পর দিল্লিতে আনা হবে সঞ্জয় কাপুরের মরদেহ। মার্কিন মুলুকের নাগরিকত্ব থাকলেও সঞ্জয়ের আসল বাড়ি দিল্লিতেই। আর সেই প্রেক্ষিতেই দেশে শেষকৃত্যের আয়োজন করা হয়েছে।কিন্তু যেহেতু ভারতের নাগরিকত্ব নেই, তাই সঞ্জয়ের মরদেহ দেশে আনার আগে একাধিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেতে হবে তাঁর পরিবারকে। আর সেইজন্যই দেহ ফেরাতে দেরি হতে পারে বলে জানিয়েছিল তাঁর পরিবার। সঞ্জয়ের বাবা তথা খ্যাতনামা শিল্পপতি অশোক সচদেব আগেই জানিয়েছিলেন, আপাতত লন্ডনে ময়নাতদন্ত চলছে। সেটা শেষ হলেই একাধিক কাগুজে কাজ রয়েছে। সইসাবুদ সেরে তবেই ছেলের মরদেহ দেশে আনতে পারবেন।

Advertisement

পোলো খেলতে খেলতে হঠাৎই মারা যান সঞ্জয়। পরে জানা যায় যে একটি মৌমাছি গিলে ফেলার ফলেই নাকি মৃত্যু ঘটে সোনা কমস্টারের চেয়ারম্যান ও সর্বোপরি করিশ্মার প্রাক্তন স্বামী সঞ্জয়ের। বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, করিশ্মা কাপুরও রয়েছেন প্রাক্তন স্বামীর দেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায়। প্রাক্তন স্বামীর শেষকৃত্যে সন্তানদের নিয়ে নাকি উপস্থিত থাকবেন কাপুরকন্যা। উপস্থিত থাকার কথা কাপুর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও। ২০০৩ সালে শিল্পপতি সঞ্জয় কাপুরের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন করিশ্মা। কোটি কোটি টাকা খরচ করে হয়েছিল সেই বিয়ে। কিন্তু তা মোটেই সুখকর হয়নি। ২০১৪ সালে আলাদা হন তাঁরা। ২০১৬ সালে আইনিভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয় দু’জনের। বিচ্ছেদের পরে স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ এনেছিলেন করিশ্মা। তবে বিচ্ছেদ হলেও দুই সন্তানকে বাবার থেকে আলাদা করেননি কাপুরকন্যা। ছুটি পেলেই সামাইরা এবং কিয়ানকে তাঁদের বাবার সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গিয়েছে একাধিকবার। সৎ মা প্রিয়া সচদেবও সামাইরার জন্মদিনে প্রতিবার নিয়ম করে আদুরে ছবি দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.