সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৪ বছরের সংসার! তিন সন্তানের মা-বাবা। হিন্দি টেলিদুনিয়ার অন্যতম ‘পাওয়ার কাপল’ জয় ভানুশালি এবং মাহি ভিজ এবার প্রায় দেড় দশকের দাম্পত্যে যতিচিহ্ন টানলেন! মাসখানেক ধরেই নাকি একছাদের তলায় থাকছেন না জয়-মাহি। টেলিদম্পতির সংসার ভাঙার খবর ফাঁস করলেন তাঁদেরই ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
চলতি বছরের জুলাই মাসে প্রথমবার জয় ভানুশালি এবং মাহি ভিজের ডিভোর্সের গুঞ্জন শোনা যায়। যদিও এবিষয়ে তারকাদম্পতির মুখে কুলুপ! মাসখানেক আগে মাহিও সাফ জানিয়েছিলেন যে, ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে কারও কাছে কৈফিয়ত দিতে বাধ্য নন তিনি। তবে ভাঙনের খবর কি আর খুব বেশি দিন ধামা চাপা থাকে? এবার জয়-মাহির এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুই ফাঁস করে দিলেন দম্পতির বর্তমান অবস্থান। বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, জুলাই-আগস্ট মাসে আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন জয় ভানুশালি, মাহি ভিজ। তবে কাকপক্ষীতেও টের পেতে দেননি।

একসময়ে জয়-মাহির সোশাল মিডিয়ায় উঁকি দিলেই সুখী গৃহকোণের ঝলক মিলত। তবে মাসখানেক ধরে সেসব চুপ! ভ্লগ তো দূরঅস্ত, নিদেনপক্ষে একে-অপরের সঙ্গে কোনও ছবি পর্যন্ত শেয়ার করেননি তাঁরা। নেপথ্যের কারণ কী? কেনই বা সুখের সংসারে ভাঙন ধরল? কৌতূহলের অন্ত নেই! কানাঘুষো, মাহি বিজ নাকি স্বামী জয়কে নিয়ে এতটাই ‘সন্দেহ বাতিকগ্রস্থ’ হয়ে পড়েছিলেন যে অভিনেতা স্ত্রী’র থেকে দূরত্ব বাড়াতে বাধ্য হন। যা কিনা পরবর্তীতে ডিভোর্স পর্যন্ত গড়ায়। দম্পতির ঘনিষ্ঠবৃত্ত বলছে, জয়-মাহি দুজনেই নাকি বিয়ে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শত চেষ্টা সত্ত্বেও পরিস্থিতি বদলায়নি। শেষমেশ আলাদা বাড়িতে থাকতে বাধ্য হন জয় ভানুশালি, মাহি ভিজ।
২০১১ সালে ভালোবেসে একে-অপরের সঙ্গে সাতপাকে বাধা পড়েন জয়-মাহি। বছরখানেক চুটিয়ে দাম্পত্য উপভোগ করার পর ২০১৭ সালে রাজবীর-খুশি নামে দুই সন্তান দত্তক নেন তাঁরা। তার দু বছর বাদে ২০১৯ সালে তাঁদের সংসার আলো করে জন্ম নেয় তারা। তবে ২০২৪ সাল থেকে জয়-মাহির মধ্যে সমস্যা শুরু হয়। এরপরই চলতি বছরের জুলাই-আগস্টে তাঁরা আইনি বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন বলে খবর।
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ