সুপর্ণা মজুমদার: প্রায় এক মাস ধরে চলছে লোকসভা নির্বাচন। এবার শেষ দফার ভোটাভুটি। শনিবার কলকাতায় হবে ভোটগ্রহণ। শহরের ইতিউতি বসে গিয়েছে পুলিশ পিকেট। চলে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যাতে সুস্থভাবে ভোট দিতে মানুষ। কিন্তু কীসের আশায় ভোট দেবে আমজনতা। তারকা নয়, ভোটার হিসেবেই জানালেন বিক্রম চট্টোপাধ্যায়, ইশা সাহা ও কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়।
বিক্রম চট্টোপাধ্যায়, অভিনেতা (Vikram Chatterjee): ভোট দিয়ে কী লাভ সেই উত্তর আমার কাছে নেই। আমি জানি, ভোট দেওয়া আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশে কাদের সরকার আসবে, আমি কাদের চাই যারা আমাদের দেশের সরকার গঠন করবে… এই নিয়ে আমার মতামত জানানোটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি বিশ্বাস করি। এবং সেই বিশ্বাস থেকেই ভোট দিই প্রত্যেকবার। আমি জানি ভোট দেওয়াটা প্রয়োজনীয়। আমার ভোট এবং প্রত্যেকের ভোটই গুরুত্বপূর্ণ হবে, এটাই আশা। এই বিশ্বাসের জায়গা থেকেই ভোট দেওয়া।

[আরও পড়ুন: শেষবেলায় মধ্যমগ্রামে তৃণমূলের প্রচারে মন্দাকিনী, প্রার্থী কাকলির হয়ে কী বললেন?]
ইশা সাহা, অভিনেত্রী (Ishaa Saha): ভোটার হিসেবে ভোটটা তো আমাদের অধিকার। সত্যি কথা বলতে, এই অধিকার প্রয়োগ করে আমরা পরিবর্তন আনতে পারি। হ্যাঁ, অবশ্যই আমার অধিকার নিয়ে আমি ভোট দিলাম, আমি একা কিছু পালটে ফেলতে পারব না। পরিবর্তন তখনই আসবে যখন সবাই দেবে। ওই বলে না… বিন্দু বিন্দু করে সাগর তৈরি হয়। খানিকটা তাই। আমার অধিকার, তোমার অধিকার, সব মিলিয়ে যদি দেশটাকে পালটানো যায়। আর খানিকটা তো আশা আছে আমাদের। ‘আশায় বাঁচে চাষা’র মতো আমরা। যখনই খারাপ কিছু হয়, তখনই ভাবি এইবারে ভোট দিয়ে ব্যাপারটাকে চেঞ্জ করে দেব। তাই, ওই আশাটা আছে। সেই কারণে ভোট দিতে যাওয়া। অন্যদের দোষারোপ করে তো লাভ নেই, আল্টিমেটলি আমরাই সবটা করেছি। তো লোকসান কিছু নেই। লাভটা যদি লাভ হয় তাহলে লাভই, পজিটিভই ধরে নিতে হবে। যদি কিছু ভালো হয়।

কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, পরিচালক (Kamaleshwar Mukherjee): প্রথম কথা, আমি একটি আপাদমস্তক রাজনৈতিক মানুষ এবং গণতন্ত্রে বাস করি। সুতরাং ভোট আমি দেবই। দ্বিতীয় কথা হচ্ছে যে ভোট দেওয়ার সময় মাথায় রাখব এই মুহূর্তে ভারতবর্ষে অর্থনৈতিক এবং সামাজিক যে বিপর্যয় সেই বিপর্যয়গুলোকে। একদিকে যেমন বেকারত্ব রয়েছে, মূল্যবৃদ্ধি রয়েছে, বেসরকারিকরণ, বিলগ্নিকরণ রয়েছে এবং চূড়ান্ত দুর্নীতি রয়েছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্যস্তরে। আর মাথায় রাখব যেটা সেটা হচ্ছে যে সামাজিক বিভাজন, সাম্প্রদায়িকতা এবং জাতিগত বিভাজন, সেই সমস্ত কিছু।

[আরও পড়ুন: ‘তোমার অপা অনেক বড় হয়ে গেছে…’, ঋতুপর্ণর মৃত্যুবার্ষিকীতে খোলাচিঠি অপরাজিতার]
সর্বশেষ খবর
-
হাসিনায় সম্পর্কে কাঁটা, সেই বাংলাদেশের দাবিতে ১৯টি অত্যাধুনিক রেল কোচ পাঠাল ভারত!
-
পায়ে ব্যথা, অথচ সমস্যা লুকিয়ে কোমরে! সায়াটিকার লক্ষণ চিনবেন কীভাবে
-
রস্টারের চাপে ঘুম হয় না! গাঁজার সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খেয়ে বিমান চালাতে ওঠেন এয়ার ইন্ডিয়া পাইলট
-
এশিয়াডের আগে সাসপেন্ড টেবিল টেনিস ফেডারেশন, অন্ধকারে খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ
-
৪৭৫ কিমি পেরিয়ে ‘গেমতুতো’ বন্ধুদের দেখতে এসে বিপদ! গঙ্গারামপুরে লজে পাকড়াও ৩ নাবালক