bride groom

লকডাউনের জের, বঙ্গে ৫৬ দিন আটকে থেকে হিমাচলে ফিরল ‘বারাত’

প্রত্যেককেই ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২০, ১৬:৩০

options
link
লকডাউনের জের, বঙ্গে ৫৬ দিন আটকে থেকে হিমাচলে ফিরল ‘বারাত’
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশজুড়ে গত ২৫ মার্চ থেকে লকডাউন শুরু হয়েছিল। আর এই কারণে টানা ৫৬ দিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে আটকে ছিলেন একদল বরযাত্রী। অবশেষে ১৮ জনের প্রত্যেকেই ফিরে গিয়েছেন নিজের এলাকায়। তবে হিমাচলের বঙ্গানা তহসিলে অবস্থিত গ্রামে ফিরতেই তাঁদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যেই ভিনরাজ্য থেকে ফিরেছেন বলে এখনই তাঁদের গ্রামের বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। রাখা হয়েছে স্থানীয় একটি হোটেলে। সেখানেই আপাতত ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন তাঁরা। ইতিমধ্যে সকলের লালারসের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার ফল আসার কথা দিন কয়েকের মধ্যে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ বিমান পরিষেবা, ঘোষিত হল একাধিক নিয়মাবলী ]

এপ্রসঙ্গে সদ্য বিবাহিত বর সুনীল কুমার (৩০) জানান, গত ২১ মার্চ তাঁরা পাঞ্জাবের রূপনগর জেলার নাঙ্গলদাম স্টেশন থেকে কলকাতা আসার জন্য গুরুমুখী সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস ধরেন। পরের দিন কলকাতা পৌঁছন। কিন্তু ইতিমধ্যে গোটা দেশে প্রথমে জারি হয় ‘জনতা কারফিউ’। কোনওরকমে ২৫ মার্চ কাশীপুর গ্রামে সুনীলের সঙ্গে বিবাহ হয় সংযোগিতার। আর সেই দিন থেকেই শুরু হয় লকডাউন। ২৬ মার্চ ফিরে আসার কথা থাকলেও বরপক্ষ আটকে পড়েন পশ্চিমবঙ্গেই। কাশীপুরের ধর্মশালা থেকে যান তাঁরা।

Advertisement

সুনীল আরও জানান, হিমাচলপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন তাঁরা। তারপর তাঁদের জন্য ব্যবস্থা করা হয় শুকনো রেশনের। এরপর ১৪ মে তাঁরা মালদা থেকে বাস ধরেন সোলানের উদ্দেশে। সুনীলের কথায়, “নিজেদের গ্রামে ফিরে মনে হচ্ছে যেন স্বর্গে ফিরে এলাম।”

[আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় দেশে রেকর্ড করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, মৃত্যু ১৩২ জনের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.