মণিপুর আবারও জ্বলছে হিংসার আগুনে! দিনদশেক আগে এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে হামলায় প্রাণ যায় দুই শিশুর। এবার মৃত্যু হল এক অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকের। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন দুই ব্যক্তি। সেসময়ে আচমকাই তাঁদের উপর গুলিবৃষ্টি শুরু হয়। সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু হয় দু’জনের। উল্লেখ্য, ঘটনাস্থল সংলগ্ন এলাকায় একদিন আগেই পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ইয়ুমনাম খেমচাঁদ সিং।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে উরখুল জেলার হাইওয়েতে। এস ডব্লিউ চিনাশাং এবং ইয়ারুইঙ্গাম ভাশুম নামে দুই ব্যক্তি গাড়ি চালিয়ে ইম্ফল থেকে উরখুলে যাচ্ছিলেন। পথে গুলিবৃষ্টির মধ্যে পড়ে তাঁদের মৃত্যু হয়। এরমধ্যে চিনাশাং ভারতীয় সেনার প্রাক্তন জওয়ান। পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, হামলাকারীদের পরিচয় জানা যায়নি। তবে ওই এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। হামলাকারীদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।
জাতিসংঘর্ষে গত তিনবছর ধরে বারবার অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে মণিপুর। কুকি-মেতেই সংঘর্ষে বারবার অশান্তি ছড়িয়েছে। শনিবারের হামলায় মৃত দুই ব্যক্তি নাগা সম্প্রদায়ের। তাঁদের উপর হামলার পর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছে নাগারা। সরাসরি কুকি জো’দের দিকে আঙুল তুলে নাগা সংগঠন তাংখুল নাগা লংয়ের তরফে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়, মহিলা-শিশু-বয়স্কদের নিয়ে যাত্রীদের একটা বড় দল উরখুলে যাচ্ছিল। নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে ছিল গাড়িগুলি। তার মধ্যেই একাধিক গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে। একটি গাড়িতে থাকা দু’জনের মৃত্যু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৭ এপ্রিল মণিপুরের বিষ্ণুপুর জেলায় এক বিএসএফের বাড়ি লক্ষ্য করে রকেট হামলা হয়। বিএসএফের এক শিশুকন্যা ও ৫ বছরের বালকের মৃত্যু হয়। আহত হন এক মহিলা। ঘটনার জেরে মণিপুরের ৫টি জেলায় কারফিউ জারি করার পাশাপাশি বন্ধ করা হয় ইন্টারনেট পরিষেবা। শনিবারই বেশ কয়েকটি জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক করা হয়। তারপরই হামলা হল প্রাক্তন সেনার গাড়িতে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নাম জড়ায় ভূপেশ বাঘেল, রণবীর কাপুরদের! গ্রেপ্তার সেই মহাদেব বেটিং অ্যাপের কিংপিং
-
নেতাজি ও বিপ্লবী ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তীর সম্পর্ক, ফৈজাবাদের রহস্যময় সেই সাংকেতিক চিঠি
-
পঞ্চম দিনেও এল না সোনা, আশার আলো অ্যাথলেটিক্স-কবাডি, ষষ্ঠ দিনে এশিয়াডে সাফল্য পাবে ভারত?
-
সরকারি বাসে-ট্রামে-লঞ্চে পুজো পরিক্রমা, বনেদি থেকে বারোয়ারি পুজো ঘুরে দেখুন আপনিও
-
নন্দীগ্রামে প্রচারে মিলনপত্নীকে ‘না’ প্রশাসনের, ‘বিরোধীশূন্য করার প্রবণতা?’, প্রশ্ন কংগ্রেসের