কুলগামে জইশ হামলায় শহিদ পুলিশ অফিসার, নিকেশ ৩ জঙ্গি

উপত্যকাই জইশ-ই-মহম্মদের মূল টার্গেট, ধারাবাহিক ঘটনায় প্রমাণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৪, ১৪:৫৯

options
link
কুলগামে জইশ হামলায় শহিদ পুলিশ অফিসার, নিকেশ ৩ জঙ্গি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুলওয়ামা পরবর্তী উপত্যকায় অশান্তি আরও বাড়ছে। আরও বেশি করে জইশের টার্গেট হয়ে উঠছে জম্মু-কাশ্মীর। রবিবার কুলগামে জইশ জঙ্গিদের সঙ্গে যৌথবাহিনীর গুলির লড়াইয়ে শহিদ এক পুলিশ অফিসার। নিকেশ করা গিয়েছে ৩ জঙ্গিকে। তবে আরও কয়েকজন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে বলে অনুমান নিরাপত্তা বাহিনীর। চলছে তল্লাশি অভিযান।

Advertisement
[বাসিন্দাদের স্থায়ী শংসাপত্র নিয়ে অগ্নিগর্ভ অরুণাচল, উপ-মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে আগুন]

কুলগামের তুরিগাম এলাকায় জইশ জঙ্গিরা ঢুকেছে, গোপন সূত্রে এই খবর পেয়ে রবিবার বেলার দিকে অভিযানে নামে যৌথবাহিনী। ছিল সেনাবাহিনী, পুলিশ আধিকারিক এবং সিআরপিএফ। ঘন জঙ্গল এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে জঙ্গিরা গুলিবর্ষণ শুরু করে। পালটা জবাব দেয় বাহিনীও। দু’পক্ষের  মধ্যে টানা গুলিযুদ্ধ চলতে থাকে। সেনাসূত্রে খবর পাওয়া যায়, গুলিযুদ্ধে এক জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে। তবে আরও কয়েকজন আত্মগোপন করে থাকার সম্ভাবনায় তল্লাশি অভিযানের আরও গতি আনে বাহিনী। তার কিছুক্ষণ পর ফের সংঘর্ষ শুরু হয়। তাতেই শহিদ হয়েছন এক পুলিশ আধিকারিক। সূত্রের খবর, আমন ঠাকুর নামে ওই শহিদ একজন ডিএসপি ব়্যাংকের অফিসার। গত দু বছর ধরে তিনি কুলগামেই কাজ করছেন। এরপর যৌথবাহিনী আক্রমণের ধার আরও বাড়ায়। শেষপর্যন্ত লুকিয়ে থাকা আরও ২ জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। তারপরও এলাকা ঘিরে চিরুনি তল্লাশি চলে। সেনা সূত্রে খবর, আর কোনও জঙ্গি এলাকায় নেই। যারা আত্মগোপন করেছিল, তাদের সবাইকে নিকেশ করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

aman-thakur

Advertisement

 [‘ওরা শুধু মুখেই কাজের কথা বলত’, প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় কংগ্রেস]

গত সপ্তাহে পুলওয়ামায় জম্মু-শ্রীনগর হাইওয়ের উপর সিআরপিএফ কনভয়ে আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় শহিদ হয়েছেন ৪৯ জন জওয়ান। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এটাই উপত্যকায় সবচেয়ে বড় জঙ্গি হামলা বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তারপর যথাযোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীও। উপত্যকায় নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যগুলিতেও সতর্ক করা হয় নিরাপত্তা বাহিনীকে। দিন দুই আগেই উত্তরপ্রদেশের অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াডের হাতে গ্রেপ্তার হয় দুই জইশ জঙ্গি। দুজনের বাড়িই দক্ষিণ কাশ্মীরে। ধৃত শাহনওয়াজ আহমেদ তেলির বাড়ি ছিল কুলগামে এবং আকিব আহমেদ আলি পুলওয়ামার বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে তাজা কার্তুজ উদ্ধার হয়। উত্তরপ্রদেশে জইশের জাল বিস্তারের দায়িত্বে এই দুজন ছিল বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। এরপর রবিবার ফের কুলগামে জইশ জঙ্গিদের ঢুকে পড়া এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলিযুদ্ধ। পুলওয়ামা পরবর্তী এসব ঘটনা থেকেই প্রমাণিত, কোনওভাবেই পিছু হটছে না মাসুদ আজহারের সংগঠন। বরং যে কোনও অজুহাতে ভারতীয় সেনাবহিনীর উপর আরও বড় আক্রমণ হানতে তারা সদা প্রস্তুত।   

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন